নয়াদিল্লি: ভাগ্য সঙ্গ না দিলে হতাশ হওয়াই স্বাভাবিক যে কোনও অধিনায়কের৷ তবে হতাশা যখন মাত্রা ছাড়ায়, তখন ক্রমাগত ব্যর্থ হতে থাকা কোনও দলের কাণ্ডারির অভিব্যক্তি কেমন হয়, তার আদর্শ নমুনা রাখলেন বিরাট কোহলি৷

কোটলায় দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জানতেন না যে, ম্যাচ হেরে এবারের মতো ছিটকে যেতে হবে টুর্নামেন্ট থেকে৷ বাস্তববাদী বিরাট অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মিরাকল কিছুর আশা করছেন না৷ শুধু বাকি টুর্নামেন্টটা উফভোগ করতে চান৷

আরও পড়ুন: নাইটদের সঙ্গে সেঞ্চুরির নজির আরসিবিরও

প্লে-অফের সম্ভাবনা নেই দেখেই কোহলি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ভোটার আইডির ছবি পোস্ট করে লেখেন যে, ভোট দিতে যাবেন তিনি৷ আইপিএলের প্লে-অফ উইকে তাঁর ভোট দিতে যাওয়ার অর্থ এই যে, আরসিবি যে প্লে-অফে যাচ্ছে না সে বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন কোহলি৷ কোটলার হারে সেই সম্ভাবনাটায় সিলমোহর পড়ে যায়৷

কোটলায় অবশ্য ম্যাচ হারের জন্য নয়, কোহলি নজর কাড়েন অন্য একটি বিষয়ের জন্য৷ শ্রেয়স আইয়ারের টসে জেতার পর যখন প্রেজেন্টার অঞ্জুম চোপড়ার সঙ্গে কথা বলছেন, তখন ড্রেসিং রুমের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে দু’হাতের আঙুল দিয়ে ৯ সংখ্যার ইঙ্গিত করেন৷ পরে ফিস্ট পাম্পও করতে দেখা যাক কোহলিকে৷শ্রেয়সের সঙ্গে কথা বলার সময়েও মাসল ফোলাতে দেখা যায় আরসিবি দলনায়ককে৷

আরও পড়ুন: কেকেআরের শততম জয়ে ট্র্যাজিক হিরো পান্ডিয়া

আসলে চলতি আইপিএলে টস ভাগ্য একেবারেই বিমুখ কোহলির থেকে৷ ১২টি ম্যাচে টস করতে নেমে এই নিয়ে ৯টি ম্যাচে টস হারলেন তিনি৷ এই বিষয়টাকেই দু’হাতের আঙুলের সংকেতে তুলে ধরেন বিরাট এবং নিজেকে ট্রোল করে সেলিব্রেটও করেন টস হারের ধারবাহিকতা বজায় রাখার জন্য৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টা নিয়ে জোর চর্চা চলছে৷ অনেকেরই মত, ব্যাটিং-বোলিংয়ের পাশাপাশি যদি নেটে টসটাও প্র্যাকটিস করতেন বিরাট, তাহলে ভালো হতো৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.