মুম্বই: ৫ এপ্রিল রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য ঘরের আলো বন্ধ রেখে ‘লাইট আ ক্যান্ডল’। করোনা প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর এই ‘লাইট আ ক্যান্ডল’ উদ্যোগ ইতিমধ্যেই সমালোচিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে। করোনা প্রতিরোধে ঘরের আলো বন্ধ রেখে মোমবাতি জ্বালানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। কিন্তু আসলে নমোর এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাকি পৃথিবীর কাছে আমাদের একতা দেখিয়ে দেওয়ার সময়। ‘লাইট আ ক্যান্ডল’ কর্মসূচী আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোরও একটা সুযোগ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে এমনটাই টুইট করলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট অধিনায়ক।

বিরাট এদিন টুইটারে লেখেন, ‘স্টেডিয়ামের শক্তি যেমন থাকে গ্যালারির দর্শকেরা, তেমনই একটা রাষ্ট্রের শক্তি তাঁর জনগণ। আজ রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য পৃথিবীকে দেখিয়ে দিন আমাদের ঐক্য। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মী যোদ্ধাদের জানিয়ে দিন আমরা সবসময় তাদের পাশে আছি।’ একা কোহলি নন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে টুইট করেছেন ডেপুটি রোহিত শর্মাও।

‘হিটম্যান’ টুইটে এদিন লেখেন, ‘আমাদের জীবন নির্ভর করছে এই টেস্ট ম্যাচ জয়ের পর। আমরা এটাতে ভুল করতে পারি না। তাই আজ রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য প্রমাণ করুন আমরা কতটা সংহতিপরায়ণ। লাইট ফর ফাইট। আপনারা আমার সঙ্গে আছেন তো?’

নমোর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে টুইট করেছেন জাতীয় দলের নির্ভরযোগ্য অল-রাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর কথায়, স্বাস্থ্যকর্মীরা যারা আমাদের অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার দিশা দেখাচ্ছেন তাদের জন্য আলো জ্বালান। নরেন্দ্র মোদীজি আমরা আপনার সঙ্গে আছি।’ উল্লেখ্য, শনিবার দেশের চল্লিশ জন ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে টেলি কনফারেন্সে আলোচনা সারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার সকাল ১১ টায় নমোর সঙ্গে ভিডিও কলে আলোচনা সারেন সচিন তেন্ডুলকর, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, বিরাট কোহলি-সহ ক্রীড়াক্ষেত্রের অন্যান্যরাও। সে তালিকায় ছিলেন দাবায় প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শাটলার পিভি সিন্ধু, স্প্রিন্টার হিমা দাসরাও। করোনা রুখতে ক্রীড়াবিদদের পাঁচ দাওয়াই দেন প্রধানমন্ত্রী। সংকল্প, সংযম, সাকারাতমোক্ত, সম্মান এবং সহযোগ- এই পাঁচ মন্ত্রেই করোনাকে ঘায়েল করা যেতে পারে বলে জানান নমো।

শনিবারের আলোচনা পর্বে ছিলেন পিটি ঊষা, পুলেল্লা গোপীচাঁদ, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, বজরং পুনিয়া, গৌতম গম্ভীর, মেরি কম, রোহিত শর্মা, যুবরাজ সিং, চেতেশ্বর পূজারার মতো তারকারাও। দেশবাসীর মনোবল বাড়ানোর জন্য আপনারা বিশেষ ভূমিকা নিন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের নাম উজ্জ্বল করার জন্য ক্রীড়াবিদদের প্রশংসা করে সচিন-সৌরভের কাছে এমনই আর্জি রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশে ২১ দিনের লকডাউন পিরিয়ডে থাকলেও অনেকেই সরকারি বিধিনিষেধের তোয়াক্কা করছেন না। দেশের তারকা অ্যাথলিটদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আর্জি, তাঁরা যেন দেশবাসীকে এ বিষয়ে অবগত করেন। একইসঙ্গে নমো মনে করিয়ে দেন যে মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে খেলার মাঠে ক্রীড়াবিদরা সাফল্য নিয়ে এসেছেন সেই একই মন্ত্রে যেন দেশবাসী করোনার মোকাবিলা করে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও