মুম্বই: ভুল হতেই পারে। তবে সেটা স্বীকার করে পুনরায় তাঁর পুনরাবৃত্তি না করার চেষ্টাই তাঁর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। দিনদু’য়েক আগে বাবা হওয়ার খবর দিয়ে চমকে দিয়েছেন অনুরাগীদের। আর বুধবার ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলের সঙ্গে এক আড্ডায় হার্দিক পান্ডিয়া জানালেন ‘কফি উইথ করণে’র বিতর্কিত অধ্যায় বদলে দিয়েছে তাঁর জীবন।

কেরিয়ারে তাঁর সবচেয়ে বড় বিতর্কিত অধ্যায়ের উপর দৃষ্টিপাত করে হার্দিক জানালেন, টিভি শো কফি উইথ করণে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে প্রবল তিরস্কারের পাশাপাশি জাতীয় দল থেকে সাসপেন্ডও করা হয় তাঁকে। তবে যাই ঘটুক না কেন, গোটা ঘটনা তাঁকে বদলে যেতে সাহায্য করেছে। একইসঙ্গে ওই ঘটনার পর তাঁর পরিবারকে উদ্দেশ্য করেও নানা মহল থেকে উড়ে আসে নেতিবাচক মন্তব্য।

হর্ষ ভোগলেকে হার্দিক বলেন, ‘যা ঘটেছিল তার জন্য আমি নিজেকে বলেছিলাম ভুলটা স্বীকার করে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে। আমি যদি ভুলটা স্বীকার না করতে পারতাম তাহলে সেটা আমার মধ্যে থেকে যেত। কিন্তু ওই ঘটনা আমায় আর বিব্রত করে না কারণ পরিবারের কাছে আমি আমার ভুল স্বীকার করে নিয়েছিলাম এবং তারা সেটা গ্রহণ করে নিয়েছিল।’ উল্লেখ্য ২০১৯ জানুয়ারিতে ‘কফি উইথ করণ’ শো’য়ে গিয়ে আপত্তিকর যৌন এবং বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য করায় অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়ান-ডে সিরিজ থেকে হার্দিক পান্ডিয়ার পাশাপাশি নির্বাসিত হন সতীর্থ কেএল রাহুল।

এই ঘটনা তাঁর পরিবারকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল বলতে গিয়ে হার্দিক বলেন, আমার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য আমার পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছিল। নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে এসে আমার বাবা এমন ঘটনা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। যা আমাকে ভীষণ কষ্ট দিয়েছিল। হার্দিকের কথায়, ‘আমি একজন আদ্যোন্ত ফ্যামিলি ম্যান। ফ্যামিলিকে ছাড়া আমি কেউ নই। আমার পরিবার আমার শিরদাঁড়া। আপনারা এখন যে হার্দিক পান্ডিয়াকে দেখছেন তার পিছনে সাধারণ মানুষের অবদান রয়েছে। তারা আমায় বুঝিয়ে দিয়েছে আমি মানসিকভাবে কতোটা শক্তিশালী।’

উল্লেখ্য, বছর ছাব্বিশের হার্দিক পিঠের চোটের কারণে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে। লকডাউন পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলে যোগদানের প্রস্তুতির মধ্যেই সম্প্রতি অনুরাগীদের চমকে দিয়ে অল-রাউন্ডার জানান যে তিনি বাবা হতে চলেছে। বেবি স্ত্রী নাতাসা স্ট্যানকোভিচের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ফ্যানেদের সারপ্রাইজ দেন তিনি।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব