নয়াদিল্লি : পৃথিবীটা ছোটো হতে হতে আজ বোকাবাক্স, স্মার্টফোন আর কম্পিউটার ল্যাপটপেই বন্দি। বিশ্বায়নের যুগে দাঁড়িয়ে সময়ের সঙ্গে যেভাবে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছি তাতে নিজের দিকে তাকানোর ফুসরত নেই। ৮ টা ৫ টা’র ডিউটি হোক বা ঘরের কাজ। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর বিছানায় গেলে চোখে নেমে আসে ঘুমের ঢল। যারফলে নিজের শরীরের প্রতি সেভাবে যত্ন নেওয়া হয়ে ওঠে না কারও।

আর এই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা এখন ঘরের খাবার ছেড়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি ফাস্ট ফুডে। রাত জেগে পার্টি বা নেট পাড়ায় ঘোরাঘুরি যেন একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে এযুগের ছেলে মেয়েদের কাছে। সে আট হোক বা আশি ‘Early to bed and Early to rise’ এই প্রবাদ বাক্যটি যেন ভুলতে বসেছি আমরা সবাই।

ফলে এভাবে যত নিয়মানুবর্তিতা আমরা ভুলতে বসছি ততই আমাদের অজান্তে শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগব্যাধি। কোনও রোগের প্রতিকার সহজেই মেলে আবার কোনও রোগের প্রতি অবহেলা মানুষকে টেনে নিয়ে যায় মৃত্যুর দরজায়। আর এভাবেই অকালে ঝরে যায় অসংখ্য প্রাণ।

আরো পোস্ট- গুহার ভেতর রয়েছে মেঘ এবং কুয়াশা!

অন্যান্য রোগব্যাধির পাশাপাশি বর্তমানে সারা বিশ্বের প্রায় ১ কোটি মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণই হল এই ডায়াবেটিস। যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে হার্ট, অগ্ন্যাশয়, লিভার এবং কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দেয়। এবং যার শেষ পরিণতি মৃতু। মানব দেহের অন্যান্য অংশের পাশাপাশি কিডনিতেও এর কুপ্রভাব ব্যাপক ভাবে পড়ে। ফলে সময় থাকতে শরীরের যত্ন না নিলে এবং সঠিক চিকিৎসা না করালে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।

আর এই ডায়াবেটিস দুই ধরণের হয়। যথা টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু।

টাইপ ওয়ানের থেকে টাইপ টু ডায়াবেটিস বেশি ক্ষতিকারক শরীরের পক্ষে। কোনও ব্যক্তি যদি টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন তাহলে তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। এছাড়াও বিষাক্ত জিনিস ফিল্টার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কিডনি। যারফলে ধীরে ধীরে অকেজো হতে শুরু করে কিডনি।

তবে টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে কীভাবে নিজের শরীর ঠিক রাখবেন এবং কিডনিকে সুস্থ রাখবেন তা হল..

১. ধূমপান ছাড়ুন : ধূমপান করবেন না। ধূমপানের কারণে শরীর ধীরে ধীরে ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ধূমপান এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি আপনার ডায়াবেটিসে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং আপনাকে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, ইরেক্টাইল ডিসঅংশান এবং হাড়ের সঠিক বৃদ্ধি আটকে দিতে পারে।

২. ভাল খাবার খান : শরীরকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন রোজকার খাদ্যতালিকায়। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনি জাতীয় জিনিস এড়িয়ে চলুন।

৩.ব্যায়াম করুন : শরীরকে ফিট রাখতে এবং যেকোনও রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যায়ামের অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিদিন সকাল বিকাল শরীরচর্চা যেমন আপনাকে ফিট রাখবে তেমনই রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

৪.প্রচুর জল পান করুন : ডিহাইড্রেশনের কারণেও শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জল রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখে এবং খাবার হজমে সাহায্য করে। ফলে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ জল পান করুন। সারা দিনে অন্তত পাঁচ লিটার জল পান করুন। তবে যেকোনও খাবার গ্রহণের আগে অথবা আধঘন্টা পরে জল পান করুন।

৫. অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেকোনও রোগের চিকিৎসায় আগে আপনার পারিবারিক ডাক্তারের মতামত নিন তারপর বাকিকাজ গুলি করুন। দেখবেন সুস্থ থাকবেন আপনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.