স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনাভাইরাস কেউ থেকে সুস্থ হয়েছেন কি না কিংবা পরিবারের সংক্রমিত সদস্যর জেরে কারোর শরীরে কোভিড ঢুকেছে কি না, তা নিয়ে অনেকেই কর্মস্থলে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন। বস্তুত নাগরিকদের কর্মক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। স্বাস্থ্যবিষয়ক পুরপ্রশাসক অতীন ঘোষ বুধবার একথা জানিয়েছেন।

উপসর্গহীন বা মৃদু উপসর্গ যুক্ত ব্যক্তিদের সহজেই খুঁজে বার করতে টেস্টিং-ট্রেসিং-ট্রিটমেন্ট পদ্ধতিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে করোনা নমুনা পরীক্ষা শুরু করতে চলেছে পুরসভা। বিভিন্ন এলাকায় করনা রোগী খুঁজে বের করতে এই তিনটি পৃথক পরিকল্পনায় করোনা পরীক্ষা চালু করছে কলকাতা পুরসভা।

ইতিমধ্যেই শহর কলকাতা জুড়ে কলকাতা পুরসভার নটি ভ্রাম্যমাণ অ্যাম্বুলেন্স বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে শহরবাসী লালা রস নমুনা সংগ্রহ করছে। মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় নিয়ে লালারস বা নাসিকা রস দিয়ে অ্যান্টিজেন কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা চলছে। শহরের ১৬টি বরো এলাকায় দৈনিক একটি করে ক্যাম্প চলছে।

জানা গিয়েছে, আপাতত বরো পিছু দৈনিক একটি করে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শিবির হলেও আগামীতে প্রতিটি ওয়ার্ডেই স্থায়ী কোভিড টেস্ট সেন্টার চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে পুরসভা। মূলত ওয়ার্ডের হেলথ সেন্টারেই এই কেন্দ্রটি চালুর পরিকল্পনা নিয়েছেন পুরকর্তারা।

এদিকে, কলকাতায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার ছুঁতে চলেছে। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৮০ জনের। প্রতি দিনই প্রায় ৬০০-৭০০ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন শুধুমাত্র কলকাতাতে।

সেই কারণেই রোগীরা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের নিয়ম মানছেন কি না, তা জানতে প্রতি দিনই খোঁজ নেবে কলকাতা পুরসভা।

জানা গিয়েছে, হোম আইসোলেশনের নজরদারি জন্য বরোভিত্তিক দল গঠন করা হবে। বরো স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টেলিফোনের মাধ্যমে প্রতি দিন রোগীদের খোঁজ নেওয়া হবে। এ ছাড়াও পুরসভার কর্মীরা যে কোনও প্রয়োজনে সাহায্যও করবেন।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা