ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দিন দিন বাড়ছে মহানগরে দূষণের মাত্রা৷ মাঝে মাঝে তো রাজধানী দিল্লিকেও হার মানাচ্ছে কলকাতার দূষণ৷ আর এতেই আশঙ্কার মেঘ দেখছে কলকাতা পুরসভা৷ দূষণ রুখতে তাই এবার নয়া পদক্ষেপ পুরসভার৷

এদিন আরবান ফরেস্ট নামে একটি নতুন দফতর চালু করে কাজ শুরু করল কলকাতা পুরসভা৷ কলকাতায় বন্দর ও রেলের যে সমস্ত ফাঁকা জায়গা রয়েছে, যেগুলি কমার্শিয়ালি ব্যবহার হয় না সেখানে আরবান ফরেস্ট তৈরি করবে পুরসভা৷ শুধু তাই নয়, শরহবাসীর ছাদে ও বাড়ি সংলগ্ন ফাঁকা জায়গাতেও আরবান ফরেস্ট তৈরি করা হবে বলে এদিন জানান মেয়র ফিরহাদ হাকিম৷ এই নতুন দফতরের মেয়র পারিষদ নির্বাচিত হন দেবাশিস কুমার৷

দূষণ রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা৷ সম্প্রতি নতুন মেয়র বর্জ্য পদার্থ রিসাইক্লিং করার কথাও জানান৷ এবার দূষণ রোধে তিনি সবুজায়নকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান৷ আর এই লক্ষেই এদিন একটি বিশেষজ্ঞ কমিটিও গড়ে দেন৷

এই নতুন কমিটি আগামী বছরের বর্ষার আগেই শহরে কিভাবে আরবান ফরেস্ট তৈরি করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে৷ এই বিষয়ে রেলের আধিকারিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মেয়র ফিরহাদ৷ শহরে বৃদ্ধি পাওয়া দূষণ যে যথেষ্ঠ চিন্তা বাড়াচ্ছে পুরসভার, তা এদিন স্পষ্ট করে দেন ফিরহাদ৷

শুধু তাই নয়, শহরকে সবুজ করে গড়ে তুলতে বেশ কিছু সিদ্ধান্তও নিয়েছে কলকাতা পুরসভা৷ তাছাড়া দূষণ পর্ষদ সংস্থার সঙ্গেও বৈঠক করা হয়েছে বলে জানান ফিরহাদ৷ শহরে সবুজায়ন করা গেলে দূষমের মাত্রা রোধ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ কলকাতা পুরসভার অন্যতম লক্ষ মহানগরকে দূষণমুক্ত করা৷ তাই বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে সবুজায়নে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছাতেই রাজ্যের সর্বত্র সৌন্দর্যায়নে জোর দেওয়া হয়েছে৷ গাছ লাগানো থেকে পুকুর খনন সবটাই হয়েছে৷ আর এখন দূষণ রোধে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হল সবুজায়নে৷ তবে বিশেষজ্ঞদের কথায়, বন্ধ করতে হবে হট মিক্সিংয়ের ব্যবহার৷