স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে অসহায় প্রবীণ নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিল কলকাতা পুরসভা। ডেপুটি মেয়র অতিন ঘোষ জানিয়েছেন, লকডাউন চলাকালীন প্রবীণ নাগরিকদের বাড়িতে ওষুধ পৌঁছে দেবে স্বাস্থ্যবিভাগ। দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। এই সময় মূলত সমস্যায় পড়েছেন প্রবীণ নাগরিকেরা।

যেহেতু ষাটোর্ধ্ব লোকেদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে বেশি তাই এই সময় প্রবীণ নাগরিকদেরই সর্বদা বাড়িতে থাকতে বলা হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে সমস্যায় পরেছেন বহু প্রবীণ মানুষ। তাদের অসহয়তার কথা ভেবেই পাশে থাকার বার্তা দিলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। যিনি নিজেই পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত।

ফেসবুক বার্তায় অতীন ঘোষ লিখেছেন, “সেই সব নাগরিক, যাঁরা অসহায় ও একা থাকেন, তাঁদের বাড়িতে জরুরি ওষুধ পৌঁছে দেবে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, সিওপিডি, অ্যাজমা ও টিবি রোগে আক্রান্ত অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা পুরসভার বিভিন্ন হেলথ ইউনিটে চিকিৎসারত। কিন্তু শারীরিক অক্ষমতার কারণে তাঁরা হেলথ ইউনিটে আসতে পারছেন না। তাঁদের জন্যই এই ব্যবস্থা। যদিও সেই ওষুধ বাড়িতে পেতে কিছু নির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে সেইসব নাগরিকদের।”

ফেসবুক বার্তায় ডেপুটি মেয়র জানিয়েছেন, প্রত্যেককে তাঁদের নাম , বয়স, বাড়ির নম্বর, রাস্তার নাম, রোগীর নিজের বা নিকটবর্তী কারও ফোন নম্বর এবং কোন কোন ওষুধ প্রয়োজন সেটা নথিভুক্ত করে ই-মেল করতে হবে নির্দিষ্ট মেল আইডিতে। সেই মেল আইডিও ফেসবুকে দিয়েছেন অতীন ঘোষ। সেটি হল- mmichealthkmc@gmail.com /cmhomail@gmail.com।

টানা লকডাউনে প্রান্তিক মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়া রাজ্য সরকারগুলির কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার সারাক্ষণই রাজ্যগুলির সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্যে বহু বাড়ি রয়েছে, যেখানে বৃদ্ধ- বৃদ্ধারা একাথাকেন। এমন অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার রয়েছে, যাঁদের বাড়িতে হয়তো দুই-তিন দিনের বেশি চাল-ডালটুকুও মজুত নেই। এই ধরনের মানুষের যদি খাদ্য সঙ্কট হয় তাহলে প্রতিবেশীদের পুলিশ বা বিডিওকে খবর দিন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।