স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বড়দিনের আগে নিউমার্কেট চত্বরের নামকরা কেকের বিপনী নাহুমস ও ক্যাথলিন পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। ছিলেন পুর আধিকারিকরাও। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, কেকের বেকারিগুলিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে কেক। তাই বুধবার দুপুর ২টো নাগাদ পুরসভার খাদ্য আধিকারিকরা নোটিশ ধরাতে যাবেন নাহুম ও ক্যাথলিনের কারখানাতে।

সোমবার ও পুরআধিকারিকরা মহানগরের মোট ২১টি বেকারিতে অভিযান চালিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন। তার মধ্যে ৯টি দোকানের সংগ্রহ করা নমুনা পুরসভার পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে সেই মত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই পুরসভা সূত্রে খবর। আরো ৬টি সংস্থাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে পুরসভার তরফে। কেক তৈরির পরিবেশকে স্বাস্থ্যকর করতে বলা হয়েছে বেকারিগুলিকে।

মানুষ যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই ভেজাল না খান তা দেখতে পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের এই সারপ্রাইজ ভিজিট বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যে ৯টি দোকানের কেকের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে৷ প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।

এদিনের অভিযানের পর অতীন ঘোষ বলেন, উৎসবের মরসুমে ভেজাল খেয়ে যাতে মানুষ অসুস্থ না হন তাই এই পদক্ষেপ। ২৫ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত চলবে এই অভিযান। কোনও অবস্থাতেই শহরে ভেজাল ছড়াতে দেওয়া যাবে না বলে বদ্ধপরিকর পুরসভা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।