নয়াদিল্লি: নয়া প্রকাশিত টি-২০ র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় নিজের অবস্থান অক্ষত রাখলেন কেএল রাহুল। চলতি মাসের শুরুতে সাম্প্রতিক সময়ে টি-২০ সিরিজে দুরন্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছিলেন সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে ভারতের নয়া ব্যাটিং সেনসেশন। সর্বশেষ প্রকাশিত র‍্যাংকিংয়ে সেই অবস্থান ধরে রাখলেন দক্ষিণী ব্যাটসম্যান। র‍্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরে পুরনো অবস্থানে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সদ্য-সমাপ্ত সিরিজে বল হাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেওয়ায় বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে ৬ ধাপ উপরে উঠে চার নম্বরে অজি স্পিনার আস্টন অ্যাগার। একটি হ্যাটট্রিক সহ তিন ম্যাচের সিরিজে ৮ উইকেট সংগ্রহ করে র‍্যাংকিংয়ে বড়সড় লাফ দিলেন তিনি। সিরিজে ভালো পারফরম্যান্সের দরুণ নয়া র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটসম্যান ও বোলারদের তালিক্য এগিয়েছেন স্টিভ স্মিথ ও মিচেল স্টার্কও। ডি’কক-দের বিরুদ্ধে সিরিজে হাত ঘুরিয়ে ৫ উইকেট ঝুলিতে নিয়ে বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ উপরে উঠে অ্যাগারের সতীর্থ অ্যাডাম জাম্পা এখন তিন নম্বরে।

সিরিজ হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের কারণে বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে তিন ধাপ উন্নতি করলেন প্রোটিয়া স্পিনার তাবরেজ শামসি। র‍্যাংকিংয়ে পাঁচে তিনি। রাহুলের সঙ্গে পয়েন্টের ফারাক কমিয়ে আনলেও র‍্যাংকিংয়ে অবস্থানের পরিবর্তন ঘটেনি অজি অধিনায়ক তথা ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চের। ৮৭৯ পয়েন্ট নিয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষস্থানে পাক ব্যাটসম্যান বাবর আজম। দ্বিতীয়স্থানে থাকা রাহুলের সংগ্রহে ৮২৩ পয়েন্ট। দশম স্থানে থাকা ভারত অধিনায়ক কোহলির সেখানে সংগ্রহে ৬৭৯ পয়েন্ট।

সাসপেনশনের খাঁড়া কাটিয়ে ক্রিকেটের মুলস্রোতে ফেরার পর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে প্রাক্তন অজি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ কিন্তু বেশ সফল। কামব্যাকের পর এযাবৎ ৬টি টি-২০ ইনিংসে তাঁর নামের পাশে ২৫০ রান। স্ট্রাইক রেট ১৪৭.৯২। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজেও ১৪২.৪৬ স্ট্রাইক রেটে ১০৪ রান এসেছে স্মিথের ব্যাট থেকে। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে র‍্যাংকিংয়ে। নয়া র‍্যাংকিংয়ে ২৫ ধাপ উন্নতি করে ৫৩তম স্থানে স্মিথ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।