নয়াদিল্লি: পন্তের বিকল্প হিসেবে স্টাম্পের পিছনে ভরসা জোগানোর পাশাপাশি ব্যাট হাতে ৫ ম্যাচে ২২৪ রান। ভারতের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সদ্য-সমাপ্ত টি-২০ সিরিজ কেরিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে রইল কেএল রাহুলের জন্য। এই সিরিজ নতুনভাবে আবিষ্কার করল দক্ষিণী ক্রিকেটারকে। আর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে সিরিজ সেরা হওয়ার ফল হাতেনাতে পেলেন তিনি। নয়া আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে ব্যাটসম্যানদের তালিকায় লাফ দিলেন রাহুল।

সদ্য প্রকাশিত আইসিসি টি-২০ র‍্যাংকিংয়ে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা করে নিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। উল্লেখ্য, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের ৫ ম্যাচে রাহুলের রানসংখ্যা যথাক্রমে ৫৬, অপরাজিত ৫৭, ২৭, ৩৯ এবং ৪৫। ৮২৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র‍্যাংকিংয়ে দ্বিতীয়স্থানে জায়গা করে নিলেন রাহুল। ৮৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন পাক ব্যাটসম্যান বাবর আজমই। রাহুল ছাড়াও সিরিজে দু’টি অর্ধশতরানের ইনিংস খেলে প্রথম দশে নিজের জায়গা করে নিলেন রোহিত শর্মা। র‍্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরেই রয়েছেন রোহিত। এছাড়াও র‍্যাংকিংয়ে প্রথম দশে রয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৯)।

উল্লেখ্য, ব্যাট হাতে ভরসা জোগানোর পাশাপাশি ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ান-ডে সিরিজ থেকে উইকেটকিপিং গ্লাভস হাতেও আস্থা কুড়িয়ে নিয়েছেন রাহুল। পন্তকে সরিয়ে অদূর ভবিষ্যতে ম্যানেজমেন্ট উইকেটরক্ষক রাহুলেই পুরোপুরি ভরসা রাখলে অবাক হওয়ার কিচ্ছু নেই। পাশাপাশি ব্যাট হাতে যে কোনও পজিশনেই স্বচ্ছন্দ দেখাচ্ছে তাঁকে।

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিং বিভাগে ২৬ ধাপ এগোলেন জসপ্রীত বুমরাহ। সিরিজের অন্তিম ম্যাচে তাঁর ম্যাচ জেতানো বোলিং পারফরম্যান্সের সৌজন্যে র‍্যাংকিংয়ে লম্বা লাফ দিলেন বুমরাহ। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে রবিবার ম্যাচের সেরা হন বুমরাহ। রোহিতের ৬১, রাহুলের ৪৫ রানে ভর করে সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ১৬৪ রানের টার্গেট দেয় টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রানে থেমে যায় কিউয়িদের ইনিংস। প্রথম দল হিসেবে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে বিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার নজির গড়ে টিম ইন্ডিয়া।

টি-২০ ক্রিকেটের দলগত র‍্যাংকিংয়ে চতুর্থস্থানে রয়েছে কোহলির ভারত। প্রথম তিনটি স্থানে যথাক্রমে ভারত, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।