সুরাট: টেস্ট দল থেকে বাদ পড়লেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে যে রকম ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছেন লোকেশ রাহুল, তাতে নির্বাচকদের উপর চাপ বাড়বে সন্দেহ নেই৷ ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে নামলে বরাবরই নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেন রাহুল৷ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখেলন সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০’র সুপার লিগেও৷ তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে অনবদ্য হাফসেঞ্চুরির পর এবার পঞ্জাবের বিরুদ্ধেও কার্যত একার হাতে কর্ণাটককে জয় এনে দিলেন তিনি৷

বিজয় হাজারে ট্রফিতে পর পর দু’টি হাফ-সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ খেলতে জাতীয় দলে যোগ দিয়েছিলেন৷ প্রথম দু’টি ম্যাচে বড় রান না পেলেও টাইগারদের বিরুদ্ধে সিরিজের নির্নায়ক ম্যাচে ৫২ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন কেএল৷

আরও পড়ুন: পৃথ্বীর ব্যাটে আবার ঝড়

রাজ্য দলে ফিরে এসে মুস্তাক আলির দু’টি গ্রুপ ম্যাচে বিহার ও গোয়ার বিরুদ্ধে যথাক্রমে ২ ও ৩৪ রান করেন লোকেশ৷ সুপার লিগের আসরে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে খেলেন ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস৷ মাঝে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৩৬ রান করার পর এবার পঞ্জাবের বিপক্ষে ৮৪ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন রাহুল৷ ৪৮ বলের অপরাজিত ইনিংসে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি৷

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে পঞ্জাব ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে৷ জাতীয় দল থেকে ইডেন টেস্টের মাঝপথেই রিলিজ পেয়ে যাওয়া শুভমন গিল ১১ রান করে আউট হন৷ ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ওভার-বাউন্ডারির সাহায্যে ৫০ বলে ৭৬ রান করেন মনদীপ সিং৷ ২৭ রানে ৪টি উইকেট নেন রনিত মোরে৷

আরও পড়ুন: ইডেনে বিশ্বরেকর্ড টিম ইন্ডিয়ার

জবাবে কর্ণাটক ১৮ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১৬৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়৷ লোকেশের অপরাজিত হাফ-সেঞ্চুরি ছাড়া রোহন কদম ২৩, মণীশ পান্ডে ৩৩ ও করুণ নায়ার অপরাজিত ২৩ রান করেন৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও