কলকাতা: ২০২০ আইপিএলের মাঝে নেতৃত্ব থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানো নিয়ে কম চর্চা হয়নি। তিনি স্বেচ্ছায় সরেছিলেন নাকি তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অধিনায়ক পদ থেকে, সেই প্রশ্নের সদুত্তর বোধহয় ক্রিকেট অনুরাগীদের অজানা। তবে অধিনায়ক বদলেও শেষ অবধি ২০২০ আইপিএল প্লে-অফে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি নাইটরা। এরপর দিনকয়েক আগে ২০২১ আইপিএলের জন্য রিটেইন প্লেয়ারদের তালিকা প্রকাশ করার কথা গভর্নিং বডি জানিয়ে দিতেই নয়া জল্পনা শুরু হয়েছিল ডিকে’কে নিয়ে। বিগত দু’টি মরশুমে আশানরূপ পারফর্ম করতে ব্যর্থ দীনেশ কার্তিককে কী ২০২১ আইপিএলে দলে রাখবে নাইট রাইডার্স কর্তৃপক্ষ? শুরু হয় জোর জল্পনা।

বুধবার ছিল ২০২১ আইপিএলে জন্য রিটেইন প্লেয়ারদের তালিকা জমা দেওয়ার শেষদিন। বাকি দলগুলোর মত পার্পল ব্রিগেড এদিন রিটেইন প্লেয়ারদের নাম ঘোষণা করতেই সব জল্পনা দূর হয়ে গেল। কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০২১ আইপিএলের জন্য রিটেইন করল তাদের প্রাক্তন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিককে। ২০২০ কয়েকটি ক্ষেত্রে দীনেশের চওড়া ব্যাট দলের কাজে আসায় প্রাক্তন অধিনায়ককে সহজে ছেঁটে ফেলতে পারেনি নাইট শিবির।

দীনেশের পাশাপাশি চর্চা চলছিল চায়নাম্যান কুলদীপ যাদবকে নিয়েও। ২০২০ আইপিএলে প্রথম একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন কুলদীপ। মনে করা হচ্ছিল কোপ পড়তে পারে তাঁর উপরেও। কিন্তু চায়নাম্যান বোলারকেও রিটেইন করল কেকেআর। তবে ছেঁটে ফেলা হয়েছে ৫ জন ক্যাপড প্লেয়ারকে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম ইংরেজ ওপেনার টম ব্যান্টন। বহু আশা করে যাঁকে গত মরশুমের আগে দলে নিয়েছিল পার্পল ব্রিগেড। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ক্রিস গ্রিন, এম সিদ্ধার্থ, নিখিল নায়েক এবং সিদ্ধেশ ল্যাডকেও ছেঁটে ফেলেছে নাইট শিবির।

অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যান ছাড়া তারকা বিদেশিদের মধ্যে রিটেইন করা হয়েছে আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন, লকি ফার্গুসন এবং প্যাট কামিন্সকে।

কেকেআর ছেড়ে দিল যাদের: নিখিল নায়েক, সিদ্ধেশ ল্যাড, এম সিদ্ধার্থ, ক্রিস গ্রিন, টম ব্যান্টন।

কেকেআর রিটেইন করল যাদের: দীনেশ কার্তিক, আন্দ্রে রাসেল, কমলেশ নাগরকোটি, কুলদীপ যাদব, লকি ফার্গুসন, নিতিশ রানা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, রিঙ্কু সিং, সন্দীপ ওয়ারিয়র, শিবম মাভি, শুভমন গিল, সুনীল নারিন, ইয়ন মর্গ্যান (অধিনায়ক), প্যাট কামিন্স, রাহুল ত্রিপাঠি এবং বরুণ চক্রবর্তী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।