নাইটদের ৩৮ রানে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক আরসিবি’র। আইপিএল ইতিহাসে প্রথমবার প্রথম তিন ম্যাচে জয় পেল আরসিবি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হার নাইটদের। আরসিবি’র রানের পাহাড়ে চাপা পড়ল পার্পল ব্রিগেড।

  • অন্তিম ওভারের প্রথম বলে আউট রাসেল। রাসেল বোল্ড হর্ষল ৩১।

জয় নিশ্চিত আরসিবি’র। শেষ ওভারে নাইটদের জয়ের জন্য চাই ৪৩ রান।

জিততে হলে ২ ওভারে ৪৪ রান করতে হবে নাইটদের।

  • পরের বলেই আউট কামিন্স।
  • ক্রিজে নেমেই ছক্কা হাঁকালেন কামিন্স।
  • জেমিসনের বলে ২৬ রানে ক্লিন বোল্ড শাকিব।

রাসেলের ব্যাটে ঝড়। ১৭তম ওভারে নাইটদের রানের খাতায় যোগ হল ২০ রান। ৩ ওভারে জয়ের জন্য ৫৯ রান চাই নাইটদের।

১৬ ওভারে নাইটরা ১২৬/৫।

১৫ ওভার শেষে নাইটদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১২১। ২০ বলে ২২ রানে অপরাজিত শাকিব।

  • ক্রিজে এলেন দ্রে রাস।

মর্গ্যানের উইকেট হারাল নাইটরা। ৩৮ বলে জয়ের জন্য ৯০ রান দরকার নাইটদের।

১২ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ৯৮ রান নাইটদের

১০ ওভারে নাইটদের স্কোর ৮৩/৪। বাকি ১০ ওভারে পার্পল ব্রিগেডের জয়ের জন্য দরকার ১২২ রান।

  • দীনেশ কার্তিক আউট। চাহারের ডেলিভারিতে এলবিডব্লু প্রাক্তন অধিনায়ক। চতুর্থ উইকেট খোয়াল নাইটরা। ৮.৩ ওভারে ৭৪/৪ নাইটরা।
  • নীতিশ রানার উইকেট খোয়াল নাইটরা। ১১ বলে ১৮ রান করে চাহালের শিকার বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান।

পাওয়ার-প্লে শেষে নাইটদের সংগ্রহে ২ উইকেটে ৫৭।

  • নাইটদের দ্বিতীয় উইকেটের পতন। সুন্দরের বলে সিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন রাহুল ত্রিপাঠী (২৫)।

৪ ওভারে শেষে নাইটরা ৩৬/১।

  • ক্রিজে এসেই বাউন্ডারি হাঁকালেন রাহুল ত্রিপাঠী। ২ ওভার শেষে নাইটদের রান এক উইকেটে ২৭।
  • গিলের উইকেট খোয়াল নাইটরা। জেমিসনের প্রথম চার বলে ১৪ রান নিয়ে পঞ্চম বলে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এলেন পঞ্জাব ব্যাটসম্যান। মিড-অনে দুরন্ত ক্যাচ নিলেন পরিবর্ত ড্যান ক্রিশ্চিয়ান।

প্রথম ওভার শেষে নাইটদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৭। 

  • পাহাড়প্রমাণ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে ক্রিজে নাইটদের দুই ওপেনার নীতিশ রানা এবং শুভমান গিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.