দুবাই: পঞ্জাব ম্যাচে জয় এলেও দলের দুই তুরুপের তাসকে নিয়ে চিন্তার উদ্রেগ হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবিরে। হাঁটুতে চোট পাওয়া আন্দ্রে রাসেল সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে খেলবেন কীনা সেটা সময়ই বলবে। রাসেলের পাশপাশি নাইট শিবিরে আরও একটি বড়সড় উদ্বেগ অবশ্যই সুনীল নারিনকে ঘিরে। দুরন্ত বোলিং করে পঞ্জাব ম্যাচে দলকে জেতানোর পরেই চাকিং বিতর্কে আতস কাঁচের নীচে তিনি।

আপাতত সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হলেও আরেকবার অভিযোগ এলে চলতি টুর্নামেন্টে আর বল করতে পারবেন না নারিন। তাই ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে নারিনকে একাদশে পাওয়া যাবে কীনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট না জানালেও ক্যারিবিয়ান স্পিনারকে নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা নাইট রাইডার্স শিবির। নাইট শিবিরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে নারিনকে নিয়ে ‘যথাযথ সিদ্ধান্ত’ গৃহীত হবে, আশাবাদী তারা। একইসঙ্গে দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ারের অভিযোগ মত নারিনের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক অ্যাকশনের অভিযোগ তাদেরকে অবাক করেছে বলেই জানিয়েছে কলকাতা ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘নারিনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আমাদের কাছে সারপ্রাইজের মতো। ২০১২ থেকে ১১৫টিরও বেশি ম্যাচ ও খেলেছে ২০১৫ আইপিএল মরশুমের মাঝপথে ওর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে যখন অভিযোগ জমা পড়ার পর ফিরে এসে ৬৮ ম্যাচ খেলেছে নারিন। সবমিলিয়ে যত শীঘ্র সম্ভব আমরা আশাবাদী নারিনকে নিয়ে যথাযথ সিদ্ধান্তই গৃহীত হবে। পাশাপাশি আইপিএলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে সহযোগীতা করায় কৃতজ্ঞ আমরা।’

উল্লেখ্য, পঞ্জাব ম্যাচে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জেতানোর পর আইপিএলের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন পলিসির আওতায় উইন্ডিজ স্পিনারকে অভিযুক্ত করেন দুই অন-ফিল্ড আম্পায়ার। বিসিসিআই’য়ের প্রেস বিবৃতির মারফৎ জানায় তাকে সতর্ক করেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আপাতত ম্যাচ খেলতে কোন অসুবিধা নেই তাঁর। কিন্তু পুনরায় সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের রিপোর্ট মিললেই নারিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেক্ষেত্রে আইপিএল থেকে নির্বাসনে যেতে হবে উইন্ডিজ ক্রিকেটারকে।

এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৫ সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের কারণে সুনীল নারিনকে অভিযুক্ত করে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। আন্তর্জাতিক স্তরে নিষিদ্ধ হয় তাঁর বোলিং। বাধ্য হয়ে বোলিং অ্যাকশন পরিবর্তন করে পরীক্ষা দিয়ে ২০১৬ পুনরায় বাইশ গজে নামার ছাড়পত্র পেতে হয় তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর বোলিংয়ে আগের তুলনায় ঝাঁঝ অনেকটাই কমে আসে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।