হায়দরাবাদ: দারুণ শুরু করেও হায়দরাবাদকে রানের বোঝা চাপিয়ে দিতে ব্যর্থ কেকেআর। ওপেনে নেমে সুনীল নারিনের বিধ্বংসী ‘ক্যামিও’ পাশাপাশি লিনের দুরন্ত শুরুর পরেও নির্ধারিত ২০ ওভারে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১৫৯ রান তুলতে সমর্থ নাইটরা। ৯ বল খেলে জোড়া ছক্কা হাঁকালেও এদিন মাত্র ১৫ রানে ফিরলেন আন্দ্রে রাসেল। বড় রান তুলতে ব্যর্থ নাইটরাও। লিন অর্ধশতরান করলেও খরচ করলেন অনেক বল। ফের ব্যর্থ দীনেশ কার্তিক। রান আউট হয়ে মাত্র ৬ রানে ফিরলেন কাপ্তান।

এর আগে অ্যাওয়ে ম্যাচে রবিবাসরীয় উপ্পলে টসভাগ্য সঙ্গ দেয়নি নাইট দলনায়ককে। টস জিতে পার্পল ব্রিগেডকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান সানরাইজার্স অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। জয়ের সরণিতে ফিরতে নাইট দলে এদিন ৩টি পরিবর্তন। গত ম্যাচে খারাপ পারফরম্যান্সের পর সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে একাদশ থেকে বাদ পড়লেন রবিন উথাপ্পা, কুলদীপ যাদব ও প্রসিধ কৃষ্ণা। পরিবর্তে চলতি আইপিএলে প্রথমবার নাইট জার্সিতে রিঙ্কু সিং, কেসি কারিয়াপ্পা এবং পৃথ্বী রাজ।

শুরুটা ভালোই করেন লিন-নারিন জুটি। ৮ বলে নারিন ২৫ রানে ফেরেন ক্যারিবিয়ান ওপেনার। পাওয়ার প্লে’তে নারিন-গিলের উইকেট হারিয়ে নাইটদের সংগ্রহ ছিল ৬১। লিন ক্রিজ আঁকড়ে থাকলেও দ্রুত ডাগ-আউটে ফেরেন রানা এবং অধিনায়ক কার্তিক। রান আউটের শিকার হন নাইট দলনায়ক। এরপর পঞ্চম উইকেটে অজি ব্যাটসম্যানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ৫১ রান যোগ করেন উথাপ্পার পরিবর্ত রিঙ্কু সিং।

২৫ বলে ৩০ রানে রিঙ্কু ফিরে যাওয়ার পর ক্রিজে নামেন রাসেল। এরই মাঝে অর্ধশতরান পূর্ণ করলেও ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি লিনের। ফলে শেষদিকে লিন-রাসেলের ব্যাট থেকে ঝড় দেখার অপেক্ষায় থাকা নাইট অনুরাগীরা হতাশ হন। ৪৭ বলে ৫১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে আউট হন ওপেনার লিন। এরপর শেষ দু’ওভারে বিধ্বংসী হয়ে ওঠার আগেই রাসেলকে ফেরান ভুবি। দলের রান ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছে দিয়ে ১৯ তম ওভারের পঞ্চম বলে ডাগ-আউটে ফেরেন ক্যারিবিয়ান পিঞ্চ হিটার।

শেষ অবধি নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট খুঁইয়ে ১৫৯ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। সানরাইজার্সের হয়ে বল হাতে সফল খলিল আহমেদ তুলে নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। ৩৫ রানে ২ উইকেট দখল করেন ভুবনেশ্বর। পাশাপাশি ১ উইকেট পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান খরচ করেন রশিদ খান। সবমিলিয়ে পঞ্জাবকে টপকে লিগ টেবিলে চারে ওঠার লক্ষ্যে হায়দরাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১৬০।