কলকাতা ২৪x৭: ঘোষিত হল ২০২১ আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়াসূচি। দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হলেও বদল এসেছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে। টুর্নামেন্টের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউই ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা পাচ্ছে না। তবে খেলা হবে হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিতেই। ৫৬টি লিগ ম্যাচ, প্লে-অফ এবং ফাইনালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে দেশের ৬টি ভেন্যুকে। তালিকায় রয়েছে মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং আমদাবাদ।

চতুর্দশ আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়ছে আগামী ৯ এপ্রিল। আগামী ৯ এপ্রিল চেন্নাইয়ে চতুর্দশ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ৩০ মে ফাইনালের পাশাপাশি প্লে-অফের ম্যাচগুলিও অনুষ্ঠিত হবে আমদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে। প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল গ্রুপ লিগে সর্বাধিক চারটি করে ভেন্যুতে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে। ১১ এপ্রিল এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে চতুর্দশ আইপিএলে অভিযান শুরু করতে চলেছে কেকেআর।

গ্রুপ পর্বে পার্পল ব্রিগেড ৩টি ম্যাচ খেলবে চেন্নাইয়ে, ২টি খেলবে মুম্বইয়ে,৪টি আমদাবাদে এবং ৫টি বেঙ্গালুরুতে। ২১ মে বেঙ্গালুরুতে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচটি কলকাতা নাইট রাইডার্স খেলবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধেই।

একনজরে দেখে নেওয়া যাক কলকাতা নাইট রাইডার্সের গ্রুপ পর্বের ক্রীড়াসূচি:

১১ এপ্রিল: বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (চেন্নাই, সন্ধে ৭.৩০)

১৩ এপ্রিল: বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (চেন্নাই,সন্ধে ৭.৩০)

১৮ এপ্রিল: বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (চেন্নাই, বিকেল ৩.৩০)

২১ এপ্রিল: বনাম চেন্নাই সুপার কিংস (মুম্বই,সন্ধে ৭.৩০)

২৪ এপ্রিল: বনাম রাজস্থান রয়্যালস (মুম্বই,সন্ধে ৭.৩০)

২৬ এপ্রিল: বনাম পঞ্জাব কিংস (আমদাবাদ,সন্ধে ৭.৩০)

২৯ এপ্রিল: বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (আমদাবাদ, সন্ধে ৭.৩০)

৩ মে: বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর (আমদাবাদ,সন্ধে ৭.৩০)

৮ মে: বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (আমদাবাদ, বিকেল ৩.৩০)

১০ মে: বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (বেঙ্গালুরু, সন্ধে ৭.৩০)

১২ মে: বনাম চেন্নাই সুপার কিংস (বেঙ্গালুরু, সন্ধে ৭.৩০)

১৫ মে: বনাম পঞ্জাব কিংস (বেঙ্গালুরু, সন্ধে ৭.৩০)

১৮ মে: বনাম রাজস্থান রয়্যালস (বেঙ্গালুরু, সন্ধে ৭.৩০)

২১ মে: বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (বেঙ্গালুরু, বিকেল ৩.৩০)

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।