দুবাই: টানা পাঁচ ম্যাচ হারের পর জয়ের হ্যাটট্রিক৷ আরসিবি, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের পর দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব৷ এইভাবেও ফিরে আসে যায়৷ মঙ্গলবার দুবাইয়ে প্রীতি জিন্টার দলের এটাই ক্যাচ লাইন৷ দুই ক্যারিবিয়ানের ব্যাটে ভর করে ‘দিল্লি জয়’ পঞ্জাবের৷

১৬৫ রান তাড়া করতে নেমে এক ওভার বাকি থাকতেই ৫ উইকেট ম্যাচ জিতে নিল কিংস ইলেভেন৷ সেই সঙ্গে ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকায় পাঁচ নম্বরে উঠে এল প্রীতি জিন্টার দল৷ এই ম্যাচ হারলেও অবশ্য ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরেই রইল দিল্লি ক্যাপিটালস৷

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি পঞ্জাবের৷ দলের রান যখন ১৭, তখন ফর্মে থাকা রাহুলকে ডাগ-আউটে ফেরত পাঠিয়ে পঞ্জাবকে ধাক্কা দেন  অক্ষর প্যাটেল৷ ব্যক্তিগত ১৫ রানে আউট হন রাহুল৷ ক্যা্প্টেন আউট হলেও ক্রিজে এসেই ধামাকাদার ব্যাটিং শুরু করেন ক্রিস গেইল৷ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ‘ক্যারিবিয়ান দৈত্য’৷

মারার জন্য অনভিজ্ঞ তুষার দেশপাণ্ডেকে বেছে নেন গেইল৷ দেশপাণ্ডের প্রথম ওভারেই তিনটি চার ও ২টি ছয়-সহ ২৬ রান নিয়ে পঞ্জাবকে ম্যাচে ফেরান গেইল৷ মাত্র ৫ ওভারে ৫০ রানের গণ্ডি টপকে যায় পঞ্জাব৷ কিন্তু তার পরের ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ক্রস মারতে গিয়ে বোল্ড হন গেইল৷ তবে তাঁর ১৩ বলে তিনটি চার ও ২টি ছক্ক-সহ ২৯ রান করে দলের রাস্তা তৈরি করে দেন৷ এরপরই নিকোলাস পুরানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান-আউট হন ময়াঙ্ক আগরওয়াল৷ মাত্র ৫৬ রানে তিন উইকেট হারায় পঞ্জাব৷

তাঁর ভুলে ময়াঙ্কের রান-আউট হওয়ায় মেনে নিতে পারেননি পুরান৷ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে পঞ্জাব ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান আর এক ক্যারিবিয়ান বাঁ-হাতি৷ ২৮ বলে তিনটি ছয় ও ৬টি চার-সহ ৫৩ রান করে কাগিসো রাবাদার শিকার হন পুরান৷ তখন দলের রান চার উইকেটে ১২৫৷ অর্থাৎ জয়ের জন্য এখনও দরকার ৪০ রান৷

এই অবস্থায় ফের দাযিত্বজ্ঞান শট খেলে আউট হন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল৷ ২৪ বলে ৩২ রান করে আউট হন৷ এরপর দীপক হুডা ও জিমি নিশামের ব্যাটে বৈতরণী পার করে পঞ্জাব৷ তবে ম্যাচ হারলেও আইপিএলে রেকর্ড করে ম্যাচের সেরা হন শিখর ধাওয়ান৷ এদিনও সেঞ্চুরি করে আইপিএলে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টানা দু’ম্যাচে শতরান করে ইতিহাস গড়েন দিল্লি ক্যাপিটালসের এই বাঁ-হাতি ওপেনার৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।