পছন্দের বাড়ি মনের মতো করে সাজাতে কে- না পছন্দ করে? এক কামরার ফ্লাট হোক বা নিজের বাড়ি। মন পসন্দ ঘর সাজাতে সকলেই পছন্দ করেন। সময়ের অভাবে অনেক সময় সবটা না হয়ে উঠলেও একঘেয়েমী জীবনে মানসিক অবসাদ ভুলিয়ে শান্তি দেয় নিজের ঘরই।

তবে রোজ একঘেয়ে বেডরুম, ডাইনিংরুম অথবা কিচেন রুম দেখে কী আপনি ক্লান্ত? আর সত্যিই যদি ক্লান্ত হয়ে থাকেন তাহলে এই একঘেয়েমি ভাব কাটাতে নিজের ঘরবাড়িকে আধুনিক সরঞ্জাম দিয়ে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলুন। দেখবেন আপনার বাড়ি নজর কাড়বে সবার।

 

তবে এবার শুধু বেডরুম বা ড্রয়িং রুমের উপর বেশি নজর না দিয়ে কিচেন রুমের অন্দর সজ্জার দিকেও একটু মনোনিবেশ করতে পারেন। কারণ যেকোনও গৃহস্থ বাড়ির রান্নাঘরের পরিবেশ তাঁর ব্যক্তিত্বকে অপরের কাছে তুলে ধরে। যেমন ধরুন, রান্নাঘর অগোছালো হলে সেই বাড়িতে গিয়ে কেউই রান্নাবান্না করতে চান না। আবার যে বাড়ির রান্নাঘর খুব পরিপাটি টিপটপ সেই বাড়িতে না বললেও অনেকই আগ বাড়িয়ে রান্না করতে চলে যান। যদিও খুব সহজেই কয়েকটা জিনিসের ব্যবহার আপনার রান্নাঘরকে করে তুলবে স্মার্ট এবং আধুনিক কিচেন রুম।

এক্ষেত্রে আপনার রান্নাঘরকে আরও আধুনিক করে তুলতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন,

1. কিচেন চিমনি : তেলচিটে ভাব, ধোঁয়া ও নোংরার হাত থেকে বাঁচিয়ে কিচেন রুমকে ঝকঝকে করে তুলতে চিমনির জুড়ি মেলা ভার। ফলে রান্না ঘরকে সুন্দর রাখতে আজই ঘরে আনুন চিমনি।

 

2. ইলেক্ট্রনিক্স গ্যাজেট, যেমন ধরুন মিক্সচার মেশিন, টোস্টার, জুসার, রাইস কুকার বা মাইক্রো ওভেনও রাখতে পারেন আপনার রান্নাঘরে। সময় বাঁচিয়ে ঝটপট মুখের সামনে খাবার তুলে দিতে এদের ভূমিকা অনবদ্য।

3. এছাড়াও রান্নাঘরে বাসনপত্র রাখার জন্য ভালো ওয়াল র‍্যাক লাগান। যাতে বাসন ছড়িয়ে ছিটিয়ে না থাকে। কাজের সময় চট করে যাতে হাতের কাছে সবকিছু পাওয়া যায় সেই দিকগুলি বিবেচনা করেই তবেই কিনুন জিনিসপত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।