প্রতীকী ছবি

রাঁচি: গতবারের প্রবল বিতর্কের পর এবার ঝাড়খন্ডের সিধু কানহো মেলায় চুমু প্রতিযোগিতার অনুমতি দিল না পাকুড় জেলা প্রশাসন৷ জেলার সাব ডিভিশনাল অফিসার জিতেন্দ্র কুমার দেও জানান, এবছর সিধু কানহো মেলায় চুমু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যাবে না৷ এই ধরনের কোনও প্রতিযোগিতারও আয়োজন করতে পারবে না মেলা কর্তৃপক্ষ৷

শনিবার থেকে পাকুড় জেলার লিট্টিপাড়া ব্লকে শুরু হয়েছে মেলা৷ গত বছর এই মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল চুমু প্রতিযোগিতা৷ ১৮ জন আদিবাসী যুগল একে অপরকে দীর্ঘক্ষণ চুমু খান৷ প্রতিযোগিতার আয়োজককারীদের বক্তব্য, এতে যুগলদের মধ্যে ভাব ভালোবাসা বাড়বে৷ বিবাহ বিচ্ছেদও কমিয়ে আনবে৷ সেই প্রতিযোগিতার কিছু ফটো ও ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়৷ তারপরই শুরু হয় বিতর্ক৷

লিট্টিপাড়া কেন্দ্রে বিধায়ক সিমোন মারান্ডি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলেন৷ তাঁর সাফাই ছিল, চুমু খাওয়া অপরাধ নয়৷ এটা তো ভালোবাসার প্রকাশ৷ তাছাড়া আদিবাসীরা প্রেমের ব্যাপারে একটু লাজুক প্রকৃতির হয়৷ একটু ইতস্তত বোধ করেন৷ প্রকাশ্যে চুমু খেলে সেই ইতস্ততা বোধ অনেকটাই কমে যাবে৷ ঝা়ডখন্ড মুক্তি মোর্চার এই বিধায়ক সিধু কানহো মেলার প্রধান অতিথিও ছিলেন৷

বিজেপি এই প্রতিযোগিতার চরম বিরোধীতা করে৷ জানায়, চুমু খাওয়া আদিবাসী সংস্কৃতির অঙ্গ নয়৷ রাজ্যের প্রবীণ বিজেপি নেতা রমেশ পুস্কর জানান, আদিবাসীদের মধ্যে ইতস্ততা কাটানোর অনেক উপায় আছে৷ চুমু খাওয়াটা কোনও উপায় নয়৷