পিয়ংইয়ং: রেগে গিয়েছেন কিম জং উন৷ এমনই রেগে গেছেন তিনি যে কোরীয় উপসাগরে আবার যুদ্ধ আশঙ্কার মেঘ জমাট বাধতে শুরু করেছে৷ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর- দেশটির প্রধান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাকে উচ্চ মাত্রায় আধুনিকীকরণের নির্দেশ দিয়েছেন এক নায়ক শাসক। কিমের হুকুমের পর হইহই পড়ে গিয়েছে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু গবেষকদের মধ্যে৷

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানাচ্ছে, কিম জং উন সম্প্রতি দেশের কয়েকটি কারখানা পরিদর্শন করেন৷ এই সব কারখানায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার, অন্য গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র তৈরি হয়৷ তিনি বলেছেন, দেশের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, তবে সেখানে থেমে থাকলে চলবে না।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের কূটনৈতিক বৈঠক ব্যর্থ হয়৷ কেন বৈঠক ব্যর্থ হল এই প্রশ্ন রেখেই পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কূটনীতিক ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের গুলি করে মেরে দেওয়ার হুকুম দেন কিম জং উন৷ তারপরেই ৫ জন কর্মীকে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে যাওয়া হয়। এই তালিকায় ছিলেন আমেরিকায় নিযুক্ত উত্তর কোরিয়ার বিশেষ রাষ্ট্রদূত কিম হায়ক চোল৷

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের দাবি, কিম হায়ক চোল নাকি রাষ্ট্রের সর্বময় কর্তা কিম জং উনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলেন৷ তাই তাকে গুলি করে মারা হয়েছে৷ এর পরেই পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে জোর দিতে নেমে পড়েছেন কিম৷