গুয়াহাটি: কমান্ডারের নির্দেশ ও সংগঠনের শৃঙ্খলা সব সময়েই মেনে চলতে হবে৷ সেই নির্দেশ ভেঙে জঙ্গি শিবির থেকে পালানোর সময় ধরা পড়ে তিন আলফা (স্বাধীনতা) সদস্য৷ বিচার হয়৷ তারপর কঠোর আইন অমুসারে তিনজনকেই খুন করে গভীর জঙ্গলে পুঁতে ফেলা হয়েছে৷ ঘটনাস্থল মায়ানমারের একটি জঙ্গি ঘাঁটি৷

অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) মায়ানমারের বেশি কিছু অংশে চালায় তাদের জঙ্গি শিবির৷ শুধু আলফা নয়, এর পাশাপাশি নাগা জঙ্গি সংগঠন এনএসসিএন (খাপলাং) ও আরও কিছু গোষ্ঠীও তাদের শিবির চালায়৷ সেখানেই সব সগংঠনের শীর্ষ নেতাদের আসা যাওয়া লেগেই থাকে৷ তেমনই একটি শিবিরের কথা শুনিয়েছে পলাতক আলফা জঙ্গি মৃদুল মোহান্তি৷ তাকে জেরা করে আরও অনেক তথ্যের সন্ধানের খোঁজে গোয়েন্দারা৷

দিন দুয়েক আগে পলাতক আলফা জঙ্গি মৃদুল ধরা পড়ে৷ মায়ানমার থেকে ভারতে ঢুকে পড়েছিল সে৷ তারপরেই তাকে ধরে ফেলে সেনাবাহিনী৷ আত্মসমর্পণকারী এই জঙ্গি জানিয়েছে মায়ানমারে চলতে থাকা আলফা ক্যাম্পের বিবরণ৷ সেখানে একটু বেচাল হলেই মৃত্যু হয়৷ নিয়ম ভাঙা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হয়না৷ সেই রকম নিয়ম ভেঙে তিন জঙ্গি সদস্য পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছিল৷

বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) সুপ্রিম কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া৷ গোয়েন্দা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, চিন-মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন শিবিরে নিয়মিত আসাযাওয়া রয়েছে এই মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতার৷ সম্প্রতি মায়ানমার সরকার সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গি দমন অভিযান চালায়৷ তাতে নাগা জঙ্গিদের সদর দফতর ও একটি আলফা ঘাঁটিতে ঢুকে পড়েছিল বর্মি বাহিনী৷ বেশকিছু প্রথম সারির নাগা জঙ্গি নেতা ধরা পড়ে৷ কিন্তু আলফা সুপ্রিমো পরেশ বড়ুয়া অধরা৷