বেজিং: গত কয়েক মাসের আতঙ্কের একটা নাম তৈরি হয়েছে, করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই করোনাভাইরাস নাকি ভবিষ্যতে ‘ডিজিজ এক্স’-এ পরিণত হতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই ব্যাপারে সতর্কও করছেন বিজ্ঞানীরা।

যে অসুখ ভবিষ্যতে বিশ্ব জুড়ে মারণ রোগের আকার ধারণ করে, তাকেই ‘ডিজিজ এক্স’ আখ্যা দেওয়া হয়। ডিসেম্বর থেকে শুরু করে এই করোনা ভাইরাসে এখনও পর্যন্ত ৮০,০০০ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

এই রোগে মৃত্যু হয়েছে ২৬০০ জনের। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে প্রভাব পড়ছে ও মাল্টি অরগ্যান ফেলিওর হয়ে যাচ্ছে।

WHO-এর একজন ভাইরোলজিস বলেন, WHO-এর তালিকায় এই ভাইরাস ‘ডিজিজ এক্স’ ক্যাটাগরিতে থাকছে। এর জন্য বিশ্ব জুড়ে অবিলম্বে প্রস্তুতি শুরু হওয়া প্রয়োজন। চিনের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।

করোনাভাইরাসকে চিনের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সংকট বলে আখ্যা দিলেন চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।

চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ১৯৪৯-এ কমিউনিস্ট চায়না প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এটাই সব থেকে বড় ‘হেলথ এমার্জেন্সি’। তিনি বলেন, আমাদের এই ভুলগুলি সব ঠিক করতে হবে। চিনা প্রেসিডেন্ট অবস্থার গুরুত্ব স্বীকার করে নিয়ে বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য কঠিন এবং একই সঙ্গে চরম পরীক্ষার সময়।’

এর আগেও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্যে উঠে এসেছিল করুণ ছবি। তিনি বলেছিলেন, করোনাভাইরাসে দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর দুর্বলতা ধরা পড়েছে। তা সারাতে হবে। পরিস্থিতি মোকাবিলা ১১৫০ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে সরকার।