ত্রিনিদাদ: ১৪৯ রান তাড়া করতে নেমে ১৭.১ ওভারে ১০৮ রানে একসময় ৭ উইকেট খুঁইয়ে বসেছিল দল। এমন অবস্থায় নিজেকে ফের একবার দক্ষতার শীর্ষে তুলে নিয়ে গেলেন অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। ৯টি ওভার বাউন্ডারি এবং ২টি বাউন্ডারি সহযোগে বিধ্বংসী ইনিংসে নাইটদের স্মরণীয় জয় এনে দিলেন পিঞ্চ হিটার ব্যাটসম্যান। আইপিএল শুরুর আগে যা দারুণভাবে আশ্বস্ত করবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ফ্র্যাঞ্চাইজিকে।

পোলার্ডের ধ্বংসাত্মক ইনিংসে ভর করেই ষষ্ঠ ম্যাচে থ্রিলার জয় তুলে নিল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। ২৮ বলে নাইট অধিনায়ক খেললেন ৭২ রানের ইনিংস। সবমিলিয়ে ২০২০ ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগে এখন ছয়ে ছয় নাইটরা। পোর্ট অফ স্পেনে শনিবার প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান তোলে নাইটরা। জনসন চার্লসের ৪৭ এবং কাইল মায়েরসের ৪২ রানে ভর করেই মূলত স্কোরবোর্ডে প্রায় দেড়শত রান তোলে বার্বাডোজ ট্রাইডেন্ট। এছাড়া অ্যাশলে নার্স (১৯) এবং রশিদ খান (১২) দু’অঙ্কের রানে পৌঁছতে সমর্থ হন।

নাইটদের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন আকিল হোসেন, জেইডেন সিলস এবং সিকন্দর রাজা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে এদিন বড়সড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় টিকেআর। জেসন হোল্ডার, রশিদ খানদের দাপটে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নাইটদের টপ-অর্ডার। লিন্ডল সিমন্স একদিকে ক্রিজ আঁকড়ে থাকলেও ওয়েবস্টার, মুনরো, ব্র্যাভো, সেইফার্টরা কেউই দু’অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারানো নাইটদের তখন টুর্নামেন্টে প্রথম হারের ভ্রুকুটি। ২৯ বলে ৩২ রান করে ফিরে গিয়েছেন সিমন্সও।

এমন সময় দলের হাল শক্ত হাতে ধরেন অধিনায়ক পোলার্ড। উইলোয় ঝড় তুলে সপ্তম উইকেটে সিকন্দর রাজার সঙ্গে ৩১ রান এবং অষ্টম উইকেটে খ্যারি পিয়েরের সঙ্গে ৩৩ রান যোগ করেন পোলার্ড। ৯টি ওভার বাউন্ডারি সহযোগে ২৮ বলে ৭২ রানের এক অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলে হারের দিকে ঢলে পড়া দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন ত্রিনিদাদের এই ক্রিকেটার। বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি যখন প্যাভিলিয়নে ফেরেন তখন জয়ের জন্য নাইটদের বাকি ৪ বলে ৮ রান।

এরপর এক বল বাকি থাকতেই দলকে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেন বল হাতে গত ম্যাচের নায়ক খ্যারি পিয়ের। একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৫ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১ রানে অপরাজিত থাকেন সিলস। অসম্ভবকে সম্ভব করে টানা ষষ্ঠ জয় তুলে নেয় নাইটরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.