অ্যান্টিগা: বাইশ গজে এ এমন এক রেকর্ড যা কখনও ভাঙা যায় না৷ তবে তা স্পর্শ করা যায়৷ বুধবার যেমনটা করলেন কাইরন পোলার্ড৷ অ্যান্টিগায় শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচে অকিলা ধনঞ্জয়ের এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকান ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান৷ সেই সঙ্গে যুবরাজ কিংসের রেকর্ড স্পর্শ করলেন পোলার্ড৷

আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে পোলার্ড হলেও দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান, যিনি এক ওভারে ছ’টি ছক্কা হাঁকালেন৷ ক্যারিবিয়ান ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ধনঞ্জয়কে ছ’টা ছক্কা মারেন পোলার্ড৷ এর আগে একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে টি-২-০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক ওভারে ছ’টি ছয় মেরেছিলেন যুবরাজ৷ ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডের ওভারে এই বিরল নজির করেন প্রাক্তন ভারতীয় অল-রাউন্ডার৷ ব্রডের ১৯তম ওভারে পর পর ছ’টি ছক্কা মেরেছিলেন যুবরাজ৷ মাত্র ১২ বলে সেই ম্যাচে অর্ধ-শতরান করে টি-২০ ক্রিকেটে দ্রুততম হাফ-সেঞ্চুরি করার রেকর্ডও গড়েছিলেন যুবি৷

আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে যুবরাজ প্রথম এক ওভারে ছ’টি ছয় মারলেও ওয়ান ডে ক্রিকেটে তাঁর আগে এই কৃতিত্ব গড়েন হার্শেল গিবস৷ ২০০৭ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে এক ওভার ছ’ ছক্কার নজির গড়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটসম্যান৷ অর্থাৎ মাত্র তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে ছ’ ছক্কার নজির গড়েন পোলার্ড৷

তবে প্রথম ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন পোর্লাড। ক্যারিবিয়ান দৈত্যের ঝড়ে উড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। মাত্র ১১ বলে ৩৮ রান করেন পোলার্ড। তবে দলকে জয় এনে দেওয়ার জন্য তা ছিল যথেষ্ট। প্রথমে ব্যাট করে ১৩১ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। রান তাড়া করতে নেমে ১৩.১ ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ ৪ উইকেটে প্রথম টি-২০ জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা।

ধনঞ্জয়ের তৃতীয় ওভারে ৩৬ রান নেন পোলার্ড। এর আগের ওভারেই হ্যাটট্রিক করেন ধনঞ্জয়। এভিন লুইস, ক্রিস গেল এবং নিকোলাস পুরানকে পর পর তিন বলে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক করেছিলেন লঙ্কান স্পিনার। সেই আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি পোলার্ড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.