কলকাতা: বাধ সেধেছিল করোনা। দলকে আইলিগ দিয়েও ট্রফি ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হয়নি। বেশ কয়েকমাস পরে গত মরশুমের আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগানের হাতে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রফি তুলে দেওয়া হয় তখন কলকাতার রাস্তায় জনজোয়ার। কিন্তু কারিগরের সৌভাগ্য হয়নি তা স্পর্শ করার। কারণ ঠিকানা বদলে কিবু ভিকুনা তখন অন্য দলের বস হিসেবে সুদূর গোয়ায় বায়ো-বাবলে ঢুকে পড়েছেন।

সেই ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্কে ছেদ পড়তেই বৃহস্পতিবার পুরনো ক্লাবে ঢুঁ মেরে গেলেন পোল্যান্ডজাত স্প্যানিশ কোচ। এদিন ঝটিকা সফরে ভিকুনার সস্ত্রীক মোহনবাগান ক্লাবে আসা ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়। কিন্তু সেসব জল্পনাকে উড়িয়ে দেন ২০১৯-২০ বাগানকে আইলিগ দেওয়া কোচ। কবে আবার ভারতে আসবেন ঠিক নেই, তাই দেশে ফিরে যাওয়ার আগে আইলিগ ট্রফিটা দেখে গেলেন। হ্যাঁ, কিবু আর বাগান এমনই হরিহর আত্মা। বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্লাবে এসে রঞ্জন চৌধুরির সঙ্গে দেখা করেন কিবু। কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গেও।

কিবু জানান, ‘দেশে ফিরে যাওয়ার আগে একবার আইলিগ ট্রফিটা দেখতে চেয়েছিলাম। তাই স্ত্রীকে নিয়ে চলে এসেছি। শনিবারই দেশে ফিরে যাচ্ছি।’ এটিকে মোহনবাগানের এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পৌঁছনোর ব্যাপারেও আশাবাদী তিনি। শেষ ম্যাচে হাবাসের দলের এক পয়েন্ট পেতে অসুবিধা হবে না বলেই জানান কিবু। উল্লেখ্য, গত মরশুমে বাগানকে আইলিগ দেওয়ার পর আইএসএলের জনপ্রিয় ক্লাব কেরালা ব্লাস্টার্স কোচের পদে নিয়োগ করেছিল কিবুকে। কিন্তু কেরালার কোচ হিসেবে আইএসএলে সফল হতে ব্যর্থ কিবু।

খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে চলতি আইএসএলে লিগ টেবিলে তলানিতে দক্ষিণের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি। তাই লিগ শেষ হওয়ার আগেই স্প্যানিশ কোচের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে কেরালার। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি লিগের ১৮তম ম্যাচে হায়দরাবাদের কাছে ৪-০ গোলে হারের পরেই দায়িত্ব ছাড়ার কথা ফুটবলারদের জানিয়ে দিয়েছিলেন কিবু।

দায়িত্ব নেওয়ার পর চলতি আইএসএল মরশুমের শুরু থেকেই কিবু দলের পারফরম্যান্স ছিল আতস কাঁচের নীচে। টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ ম্যাচে গিয়ে প্রথম জয় পেয়েছিল কেরালা। ১৭ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে দশ নম্বরে থাকা কিবুর কাছে ১৬ ফেব্রুয়ারি হায়দরাবাদ ম্যাচটাই ছিল শেষ লাইফলাইন। আর সেই ম্যাচে বিধ্বস্ত হতেই কিবুর বিদায়ের বিষয়টি পাকা হয়ে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।