তিরুঅনন্তপুরম: প্রথম মরশুমে মোহনবাগানের মতো শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাবের কোচ হয়েই মেজর সাফল্য। হাতেনাতে সেই সাফল্যের পুরস্কার পেলেন ২০১৯-২০ আই লিগ জয়ী কোচ কিবু ভিকুনা। এটিকে’র সঙ্গে মোহনবাগান গাঁটছড়া বাঁধায় আগামী মরশুমে বাগানের কোচের পদে বহাল থাকাটা কিবুর পক্ষে একপ্রকার অসম্ভব ছিল।

কারণ এটিকে’তে তাঁর কোচিং জমানার দ্বিতীয় ধাপের শুরুতে এসে মেজর সাফল্য ধরা দিয়েছে কিবুর দেশোয়ালি অ্যান্তোনিও লোপেজ হাবাসেরও। তাই হাবাস নতুন মরশুমে প্রধান কোচের পদ থেকে সরবেন না, সেটা বুঝতে খুব বড় ফুটবলবোদ্ধা হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।

স্বাভাবিকভাবেই কিবুর সঙ্গে কোনওরকম চুক্তিও পুনর্নবীকরন হয়নি বাগানের। তাহলে প্রথম বিদেশি কোচ হিসেবে অভিষেক মরশুমেই বাগানকে চ্যাম্পিয়নের স্বাদ দেওয়া কিবুর ভবিষ্যৎ কী হবে ভারতের মাটিতে? তা নিয়েই চলছিল জল্পনা। সুযোগ বুঝে কিবুকে হেড কোচ হওয়ার প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিল আইএসএলের কেরালা ফ্র্যাঞ্চাইজি। অপেক্ষা চলছিল স্প্যানিয়ার্ড কিবু ভিকুনার সম্মতির। পারিপার্শ্বিক সমস্ত পরিস্থিতি বিচার করে অবশেষে কেরালার প্রস্তাবে সম্মতি প্রদান করলেন কিবু। এলকো শ্যাতোরির জুতোয় পা গলিয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রধান কোচ হলেন আই লিগ জয়ী কোচ।

বুধবার সন্ধ্যায় নিজেদের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রধান কোচের পদে কিবু ভিকুনা চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অনুরাগীদের জ্ঞাত করে আইএসএলের ক্লাবটি। টুইটারে ক্যাপশন হিসেবে তারা লেখে, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি আসন্ন মরশুমের জন্য আমাদের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিতে চলেছেন কিবু ভিকুনা।’

সদ্য শেষ হওয়া আইএসএল মরশুমে শ্যাতোরির প্রশিক্ষণে সপ্তমস্থানে শেষ করে কেরালা। স্বাভাবিকভাবেই ডাচ কোচের প্রতি আস্থা হারিয়ে তাঁকে আগেই প্রধান কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেয় কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তৃপক্ষ। এরপর আই লিগ জয়ী কোচের জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের নয়া চাকরি একপ্রকার সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করা হচ্ছিল। বুধের সন্ধ্যায় সিলমোহর পড়ল গোটা বিষয়টিতে।

উল্লেখ্য, গতকালই এক্সিকিউটিভ কমিটির সুপারিশ মেনে কিবু ভিকুনা প্রশিক্ষণাধীন মোহনবাগানকে আই লিগ ২০১৯-২০ মরশুমের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ঘোষণা করে মোহনবাগান। যদিও করোনার জেরে মাঝপথে স্থগিত হয়ে যাওয়া লিগের বাকি ২৮ ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু স্থগিতের সময় পয়েন্টের বিচারে বাকি দলগুলোর তুলনায় কিবুর দল এতটাই নিরাপদ ব্যবধান তৈরি করে নেয়, যে কোনওভাবেই আর বাগানকে স্পর্শ করার ক্ষমতা ছিল না অন্যদের। ফলে নায্য কারণেই মাঝপথে কার্যত বাতিল আই লিগ মরশুমের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেতাব ঘরে তোলে গঙ্গাপাড়ের ক্লাব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।