স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: বীরভূমের খয়রাশোলে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দীপক ঘোষের মৃত্যুর পরই সরানো হল ওসিকে৷ কাঁকরতলা থানার ওসি পার্থসারথি মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে ফলা হল৷ জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের দাবি মেনেই এই সিদ্ধান্ত৷ কেননা মৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের তরফে ওসির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলা হয়েছিল৷ অভিযোগে বলা হয়েছিল ওসির মদতে দুষ্কৃতীরা দীপক ঘোষকে খুন করেছে৷

রবিবার কাজ সেরে বাড়ি ফেরার সময় খয়রাশোলে তৃণমূল ব্লক সভাপতিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় একদল দুষ্কৃতী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই তৃণমূল নেতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ বাইক থামিয়ে খুব কাছ থেকে শাসক দলের ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ৷ সেই সঙ্গে আক্রান্ত ওই নেতার শরীরে ধারালো অস্ত্র দিয়েও কোপানোর চিহ্ন মেলে৷

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে৷ ক্রমশ তাঁর অবস্থার অবনতি হতে থাকে৷ কিন্তু অস্ত্রোপচার করেও কোনও লাভ হয়নি৷ শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে৷ সোমবার দুপুরে দুর্গাপুর হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়৷

গুলিবিদ্ধ তৃণমূলের খয়রাশোল ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষ দলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে খবর৷ অনুব্রত মণ্ডলের অভিযোগ, ‘‘পঞ্চায়েতে হেরে সাংগঠনিক ভাবে পরাজিত হয়ে বিজেপি শাসক দলের নেতা, কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে৷’’ বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা হলে তৃণমূল কর্মীরা বুক পেতে লড়াই চালাবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি৷

বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতির অভিযোগ অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তাঁর দাবি, ‘‘বিজেপি ভয় আক্রান্ত তৃণমূল৷ শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না থামাতে পারায় এই হিংসার রাজনীতি চলছে৷ নিজের অপকীর্তি ঢাকতেই বিজেপির উপর দোষারোপ করা হচ্ছে৷’’ গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।