স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: নবান্নের নির্দেশে ভাঙা হল উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ পৌর অঞ্চলের দক্ষিণ নন্দনকাননের বেআইনি নির্মাণ। মঙ্গলবার পুরসভার কর্মীরা গিয়ে ভেঙে দেয় ওই বেআইনি নির্মাণ। মঙ্গলবার বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলার মধ্যে দিয়েই প্রোমোটারদের সতর্ক হওয়ার বার্তা দিল খড়দহ পুরসভা। খড়দহ পুরসভা এলাকায় সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে বলে জানায় পৌর কর্তৃপক্ষ।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে খড়দহ পুরসভার পুরপ্রধান তাপস পাল ও উপ পুরপ্রধান সুকণ্ঠ বণিক খড়দহের নন্দন নগরে বেআইনী ভাবে গড়ে ওঠা ওই আবাসনে পৌঁছে যান আর নিজেরা দাঁড়িয়ে থেকেই ওই বেআইনী নির্মীয়মান আবাসন পুরসভার কর্মীদের দিয়ে ভেঙে দেন। খড়দহ পৌরসভার পৌর কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এই আবাসনটির কোনও সঠিক ও আইনি নক্সা নেই তাই এই বেআইনী ভাবে নির্মিত আবাসন টি ভেঙে দেওয়া হচ্ছে।

পুরপ্রধান তাপস পাল বলেন, “প্রতিবেশীরা অনেকদিন ধরেই এই নির্মীয়মাণ আবাসনের বেআইনী নির্মাণ সম্পর্কে আমাদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন। সেই মত খোঁজ নিয়ে আমরা দেখি প্রোমোটার কোনও রকম নক্সা ছাড়াই বেআইনী নির্মাণ করছিল । এই বিষয়ে প্রোমোটারকে সতর্ক করেও লাভ হয়নি। তাই এই বেআইনী নির্মাণ আমরা ভেঙে দিলাম। আগামীদিনে এই পুরসভার যত বেআইনী নির্মাণ আছে সবই ভেঙে দেব আমরা।” উপ পুরপ্রধান সুকণ্ঠ বণিক বলেন, “নবান্নের নির্দেশে সব বেআইনী নির্মাণ আমরা ভেঙে দেব। অনেক প্রোমোটার পুরসভার নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছিল। এবার আমরা সব বেআইনী নির্মাণ ভেঙে দেব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।