স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ক্যাম্পাসে ২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেই কারণেই শুক্রবার, ১৪ মে থেকে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে খড়গপুর আইআইটি। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৪ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে আইআইটি-র খড়গপুর ক্যাম্পাস।

আরও পড়ুন: দিল্লি পুলিশের কাছে আমিত শাহের বিরুদ্ধে নিখোঁজ ডায়েরি NSUI-র

নির্দেশিকায় কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, আইআইটি খড়্গপুর সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকলেও সব ক্লাস চলবে। অনলাইনেই পঠনপাঠন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। যে পড়ুয়ারা রয়েছেন ক্যাম্পাসে, তাঁদের বাড়ি চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অধ্যাপক, অধ্যাপিকা কিংবা শিক্ষাকর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  তবে ক্যাম্পাসের মধ্যে থাকা বাজার, দোকান সকাল ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যে ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

আরও পড়ুন: আধার সংশোধনে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে! জানুন কোন ক্ষেত্রে কত টাকা লাগছে

এদিকে, অনলাইন ক্লাসে দলিত বিরোধী মন্তব্যের জেরে সাসপেন্ড করা হয়েছে খড়গপুর আইআইটির অধ্যাপিকাকে। পড়ুয়াদের অভিযোগ খতিয়ে দেখার পরই সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এদিন জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার।

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় খড়গপুর আইআইটির ক্লাসও চলছে অনলাইনেই।  অভিযোগ, এক শিক্ষিকা অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সময় দলিত বিরোধী মন্তব্য করেন। এমনকী পড়ুয়াদের পরীক্ষায় শূন্য দেওয়ার হুমকি দেন। গোটা বিষয়টি ক্যামেরাবন্দি করেন কোনও এক পড়ুয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ছড়িয়ে পড়তেই তোলপাড় শুরু হয়ে। যদিও, সেই ভিডিয়োর সত্যতা কলকাতা ২৪x৭ যাচাই করেনি।

আরও পড়ুন: ‘বেঁচে থাকতে জিজ্ঞাসা করেননি, মৃত্যুর পর শোকপালন করছেন’, মোদীকে বিঁধলেন মীর

বিষয়টি জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসে খড়গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষ। তদন্ত করতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি তৈরি করে কর্তৃপক্ষ। এসসি-এসটি সেলেও জানানো হয় বিষয়টি। বৃহস্পতিবার রিপোর্ট পেশ করে সেই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। এরপরই সাসপেন্ড করা হয় ওই অধ্যাপিকাকে। আইআইটির তরফে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সাসপেন্ড থাকবেন ওই অধ্যাপিকা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.