ঢাকা: দলনেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ, তাঁর চিকিৎসা হওয়া দরকার। অমানবিক সরকার সেই সুযোগ দিচ্ছে না। এমনই অভিযোগ অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির।

অসুস্থ দলীয় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হলেও তাঁকে ‘দেশে থেকে’ চিকিৎসা করানোর শর্ত তাকে দেওয়া হয়েছে, তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

বুধবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ ক অমানবিক বলে আমরা মনে করি। সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে তিনি যাতে বিদেশে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে যে বিধি নিষেধ, সেটা প্রত্যাহার করাটা মানবিক একটা কর্ম। এটা আমাদের দাবি।

বিএনপির শাখা সংগঠন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একথা বলেন তিনি। এদিন দলীয় নেতা কর্মীরা প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দুটি সংস্থার দুর্নীতির মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে করোনা মহামারীর মধ্যে গত ২৫ মার্চ ৬ মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দিয়েছে সরকার। তিনি গুলশনে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় আছেন। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

বর্ষীয়ান নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ও বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন। এই অবস্থায় খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফে মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই আবেদন মঞ্জুর করে। তবে তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না এমন শর্ত মুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

বিএনপি জানাচ্ছে, খালেদা জিয়ার বয়স প্রায় ৭৬ বছর। তিনি অসুস্থ। সুচিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নিয়ে যেতে হবে। সরকারি আদেশে তাঁঁর বাইরে যাওয়া নিষিদ্ধ করা অমানবিক বলে মনে করছে বিএনপি।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র তারেক রহমান লন্ডনে থাকেন। বেশকয়েকটি মামলা ও ভয়াবহ ২১ অগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় তিনি দোষী প্রমানিত। তাঁকে পলাতক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। যদিও বিএনপি এবং তারেক রহমানের দাবি, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। বিএনপি সূত্রে খবর, চিকিৎসা করাতে লন্ডন যেতেই আগ্রহী খালেদা জিয়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।