ঢাকা: আদালতের নির্দেশ ছিল আর্থিক দুর্নীতির মামলা চলায় কোনওভাবেই বাংলাদেশ ছেড়ে বাইরে যাওয়া যাবে না। গত বছর করোনা সংক্রমণের সময় জেল থেকে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে থাকা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এখন নিজেই করোনা আক্রান্ত। তিনি হাসপাতালে সিসিইউ চিকিৎসাধীন। তাঁকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার বিষয়টি সামনে আসছে। জরুরি বৈঠকে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা।

খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির অভ্যন্তরে ছড়িয়েছে উদ্বেগ। দলনেত্রী কি সংকটজনক? ছড়িয়েছে এই প্রশ্ন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন বিএনপি সূত্রে খবর, দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা যা সিদ্ধান্ত নেবেন তাই মেনে সরকারের কাছে নেত্রীকে বিদেশে পাঠানোর জন্য আবেদন করা হবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার আবেদনের ফাইল এসেছে। তাঁর বিদেশ যাওয়ার আবেদনটিও মানবিকভাবে দেখা হচ্ছে।

গত ১০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেই খবর জানান বি়এনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দ্রুত অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। বিএনপি ঘনিষ্ঠ এই চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নিজ বাসভবন ফিরোজায় চিকিৎসা চলছিল খালেদা জিয়ার।

দ্বিতীয়বার পরীক্ষাতেও তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াপ চিকিৎসা বাড়িতে না করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সোমবার বিকেলে তাঁকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়েছে। এর পরেই উদ্বেগ বেড়েছে বিএনপি নেতা সমর্থকদের।

জানা গিয়েছে, বর্ষীয়ান নেত্রী খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, রিউমেটিক আর্থ্রাইটিস সহ কয়েকটি রোগে ভুগছেন। এর পাশাপাশি তিনি করোনায় আক্রান্ত। শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকায় তাঁকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর বিষয়টি আরও একবার উঠে আসছে।

কোথায় চিকিৎসা হবে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর? সিঙ্গাপুর নাকি ইংল্যান্ড? উঠছে এই প্রশ্ন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, লন্ডনেই চিকিৎসা হবে। কারণ, সেখানে থাকেন খালেদা পুত্র তারেক রহমান। নাশকতার মামলায় বাংলাদেশ সরকারের চোখে তিনি পলাতক। দীর্ঘদিন ধরেই লন্ডনে আছেন। তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান চিকিৎসক। তিনিও খালেদা জিয়ার চিকিৎসকমণ্ডলীর এক সদস্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.