ঢাকা: অবাধে কার্যালয়ে প্রবেশের অবাধ অনুমতি পেলেন বিএনপি সুপ্রিমো খালেদা জিয়া৷ বুধবার পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, ৮৬ নম্বর রোডের গুলশন কার্যালয়ে যখন খুশি আসতে পারবেন তিনি৷ পাশাপাশি দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাদের জন্যও অবাধে যাতায়াতের অনুমতি মিলেছে৷

দীর্ঘ তিন মাস পর জিয়া অরফানেজ অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জামিন পাওয়ার পরেই বাসভবন ফিরোজায় ফিরে গিয়েছেন তিনি৷তবে কার্যালয়ে প্রবেশের অবাধ অনুমতি মিলেছে বেগম ও দলের কয়েকজন শীর্ষনেতাদের৷ তবে কার্যালয়ের বাইরে আগের মতই আঁটোসাটো নিরাপত্তা ব্যব্স্থা থাকছে৷ মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ বাহিনী৷দুটি শিফটে মোট পাঁচজন করে পুলিশ কর্মীদের মোতায়েন রাখা হচ্ছে৷তবে ৮৬ নম্বরের যে ভবনের সামনে প্রায় সারাক্ষণই বেগমের অনুরাগীদের ভিড় লেগে থাকত৷সেই কার্যালয়ের সামনে এখন জনশূণ্য৷তবে অনুরাগীরা বেগম জিয়ার উপর থেকে বিমুখে হয়েছেন এমন ভাববার কোনও কারণ নেই৷ কারণ খালেদা জিয়া ৭৯ নম্বরের ফিরোজা ভবনে অবস্থান করায় ফিরোজার সামনে এখন সর্বক্ষণ অনুরাগীদের ভিড়৷নিরাপত্তার খাতিরে ফিরোজার সামনে পুলিশে কর্মী ছাড়াও মোতায়েন করা হয়েছে চেয়ারপার্সন সিকিউরিটি ফোর্স বা সিএসঅফ কর্মী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।