ঢাকা: বর্ষীয়ান নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য উদ্বিগ্ন বিএনপি নেতা কর্মীরা। দলীয় সুপ্রিমোর পরপর দুটি টেস্টে কোভিড পজিটিভ এসেছে। এরপরেই তাঁর সিটি স্ক্যানের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। সেই মতো মঙ্গলবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতদিন নিজ বাসভবন ফিরোজা-তে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। অক্সিজেন মাত্রা, পালস সহ বাকি সব দিক থেকেই তিনি ভালো আছেন। আমরা তাঁর সিটি স্ক্যান করাতে চাই। সেই রিপোর্ট দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়া করোনা পজিটিভ হন। এরপরে দ্রুত ‘বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। তাঁদের তত্ত্বাবধানে গুলশানের বাসা ফিরোজায় খালেদা জিয়ার চিকিৎসা শুরু হয়।

জানা গিয়েছে, গত ১৫ এপ্রিল রাতে খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল। বিএনপি নেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, সিটি স্ক্যানে যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে তা অত্যন্ত কম। গত শনিবার খালেদা জিয়ার নমুনা নেওয়া হয়। দ্বিতীয় টেস্টের ওই রিপোর্টেও তাঁর করোনা পজিটিভ আসে। তাঁকে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি সুপ্রিমো খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলা চলছে। এই মামলায় ২০১৮ সালে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। তিনি অসুস্থ হওয়ায় কড়া পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা চলে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে তাঁকে জেল থেকে ছাড়া হয়। আদালত জানায়, বাড়িতেই থাকতে পারবেন খালেদা জিয়া। কিন্তু কোনওভাবেই বিদেশে যাওয়া চলবে না। যদিও খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফে সরকারের কাছে আবেদন করা হয় বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার।

বাংলাদেশে এখন মজুদ ভাণ্ডার থেকে অক্সিজেন নিয়ে জরুরিকালীন চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। এই মজুদ শেষ হলেই দেখা দেবে অক্সিজেন সংকট। করোনা রোগী বাড়তে থাকলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দেশের হাসপাতালগুলিতে রোগীর জন্য দৈনিক ১৬০ থেকে ১৮০ টন অক্সিজেন প্রয়োজন হয়। এক সপ্তাহ আগে করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের সময় এই পরিমাণ ছিল ২০০ থেকে ২২০ টন। কয়েকটি দেশি কোম্পানি সরবরাহ করে প্রায় ১৩০ টন। বাকি ৭০ থেকে ৮০ টন অক্সিজেন ভারত থেকে আমদানি করা হতো। ভারত এই সরবরাহ বন্ধ করায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণে দ্রুতপদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.