ঢাকা: আপাতত একটু স্বস্তিতে ঢাকার গুলশনে ফিরোজা মহলের বাসিন্দারা। গৃহকর্ত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কিছুটা সুস্থ। করোনা আক্রান্ত বিএনপি সুপ্রিমোর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় দোষী প্রমানিত হয়ে জেলে ছিলেন বিএনপি নেত্রী। অসুস্থতার কারণে তাঁকে ফিরোজা বাসভবনে এনে রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়া কে বাংলাদেশ ছেড়ে বাইরে যাওয়ার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি আছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ঢাকার একটি বিশেষ আদালত খালেদার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলে ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে হাইকোর্ট তার আপিল খারিজ করে তার শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করে। এছাড়াও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর তার সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড হয়। জেল থেকেই আইনি পথে জামিনের আবেদন করেন খালেদা জিয়া।

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়া কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়। ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। শুক্রবার চিকিৎসক দলের সদস্য ও বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, ম্যাডামের অবস্থা স্থিতিশীল। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তার আরেকটি ওষুধ যুক্ত করা হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান,বিএনপি নেত্রীর সিটি স্ক্যান রিপোর্ট অনেক ভালো অবস্থানে। তাঁর করোনার উপসর্গ খুবই কম। খালেদা জিয়ার ফুসফুসে সংক্রমণের মাত্রা সাত শতাংশের মতো। যা সন্তোষজনক বলছেন চিকিৎসকরা।

জানা গিয়েছে, লন্ডন থেকে শাশুড়ির চিকিৎসা ব্যবস্থা দেখভাল করছেন পূত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান। তিনি খালেদা পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী। নাশকতা সহ বিভিন্ন মামলায় দোষী প্রমানিত তারেক রহমান কে ‘পলাতক’ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আদালত। ইংল্যান্ডে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে দল পরিচালনা করছেন তারেক রহমান।

গত রবিবার খালেদা জিয়ার কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। টানা কয়েকদিন জ্বর ছিল খালেদা জিয়ার। তিনি করোনা আক্রান্ত কিনা জানতে নমুনা পরীক্ষা করান। সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসায় দ্রুত শুরু হয় চিকিৎসা। বাড়িতে থেকেই চিকিতসা করাচ্ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.