প্রসেনজিৎ চৌধুরী, ঢাকা: আবারও পিছিয়ে গেল বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি। জিয়া দাতব্য সংস্থার আর্থিক তছরুপ মামলায় তিনি বন্দি। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বর্ষীয়ান এই নেত্রীর জামিন আবেদন আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মুলতুবি ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

তবে বেগম জিয়ার আইনজীবীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অসুস্থতা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নথি বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে জমা করতে হবে। রবিবার ঢাকায় হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন। শুনানি উপলক্ষে আদালত চত্বর জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সমর্থক ও নেতৃত্ব। খালেদা জিয়ার পরিবার ও বিএনপি নেতৃত্ব বারবার অভিযোগ করেন, দলনেত্রীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। তিনি ক্রমে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। জামিন পেলে বিদেশে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা করাবেন।

তবে বন্দি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা হচ্ছে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সর্বাধিক পরিষেবা যা তিনি আইনত পেতে পারেন তাই দেওয়া হচ্ছে। এদিকে খালেদা জিয়ার পরিবার ও বিএনপি নেতৃত্ব তা মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, আওয়মী লীগ সরকার খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা কে ভয় পায়। তাই তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হচ্ছে না।

দলের শীর্ষ নেতা মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরের দাবি, রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই এই ছক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। জিয়া আর্থিক ও দাতব্য সংস্থার দুটি দুর্নীতি মামলায় মোট ১৭ বছরের সাজা পেয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। কারাবন্দি হওয়ার পর গত এপ্রিল থেকে ঢাকার বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন তিনি। বৃহস্পতিবার তিনি কি জামিন পাবেন ? বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটাই প্রশ্ন।

ফাইল ছবি

বিএনপি মহলে আলোচনা, যদি নেত্রী জামিন পান তাহলে লন্ডনে তিনি পুত্র তারেক রহমানের কাছে যাবেন। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মামলায় খালেদা পুত্র তারেক বাংলাদেশ সরকারের চোখে পলাতক। তিনি লন্ডনে থাকেন। সেখান থেকেই বিএনপি পরিচালনা করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ