লখনউ- পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হল উত্তরপ্রদেশের সিতাপুর জেলার খইরাবাদ শহরকে। এই এলাকায় বেশ কয়েকজনের রক্তে পাওয়া গিয়েছে কোভিড ১৯-এর সংক্রমণ। এঁদের মধ্যে রয়েছেন তবলিঘি জামাতের ৮ জন সদস্য, এছাড়াও রয়েছেন ৭জন বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁদের প্রত্যেকেরই সোয়াব পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসায় খইরাবাদ শহরকেই সিল করেছে প্রশাসন। এই ৮ জন করোনা আক্রান্ত তবলিঘি জামাত সদস্য কিছুদিন আগেই দিল্লির নিজামুদ্দিন থেকে ফিরেছিলেন।

জেলা প্রশাসক অখিলেশ তিওয়ারি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আটজনের স্যাম্পল পরীক্ষা করেই পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। খইরাবাদেরই এক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন এঁরা ৮ জন। তিনি আরও জানাচ্ছেন, খইরাবাদ এবং তার পার্শ্ববর্তী ৩ কিলোমিটার অঞ্চল পুরোপুরি সিল করে দেওযা হয়েছে ৬ এপ্রিল বিকেল ৪টেয়। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই এলাকা সিলড থাকবে।

করোনা আতঙ্কের জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ৬থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত এই এলাকায় মোটর বাইক, গাড়ি বা কোনও রকম যানবাহন নিয়ে যাতায়াত বন্ধ থাকবে। কেবল মাত্র খুব জরুকি পরিষেবার কোনও গাড়ি এই সময়ে যাতায়াত করতে পারবে। অখিলেশ তিওয়ারি বলছেন, করোনা সংক্রমণ রুখতে সাময়িক ভাবে এই শহরকে সিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানুষকে এখন সমস্ত নিয়ম মেনে চলতে বলা হচ্ছে এবং বাড়িতে থাকতে বলা হচ্ছে।

যাঁরা এই নিয়মগুলি লঙ্ঘণ করবেন তাঁদেরগ্রেফতার করা হবে অথবা আইনি পদক্ষেপ করা হবে। জানা যাচ্ছে খইরাবাদেকিছু দিন আগেই দিল্লির নিজামুদ্দিন থেকে ১২ জন ফিরেছেন। এঁদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি। এঁরা প্রত্যেকেই এখন কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশির শরীরে কোভিড ১৯ ধরা পড়েছে। এঁদের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদেরও খোঁজ করছে পুলিশ।