বর্ধমান- গোপন অভিযানে তামিলনাড়ু তে ধৃত জেএমবি জঙ্গি আসাদুল্লা়। সে জড়িত খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে। ২০১৪ সালের এই ঘটনা প্রমাণ করেছিল ভারতের মাটি ব্যবহার করে বাংলাদেশে নাশকতা ছড়াতে কতটা মরিয়া জেএমবি। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর দুর্গাপূজার সময় তৎকালীন যুক্ত বর্ধমান জেলার(এখন পূর্ব বর্ধমান ) খাগড়াগড়ের একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। তদন্তে উঠে আসে আন্তর্জাতিক জঙ্গি কর্মকাণ্ড।

সেই মামলার সবথেকে শীর্ষ নেতা তথা জেএমবি সুপ্রিম কমান্ডার সালাউদ্দিন সালেহীনের এক সাগরেদ হল আসাদুল্লা। জঙ্গি আসাদুল্লার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে। পুরো নাম আসাদুল্লা শেখ।চেন্নাইয়ে সে ধরা পড়ার পরে উঠে এসেছে ভাতারে তার পরিবারের বিষয়। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর আসাদুল্লার স্ত্রী হালিমা বিবি ও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ি মঙ্গলকোটের কুলসোনা গ্রামে চলে যায়। ঘটনার পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে আসাদুল্লা শেখের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

জানা গিয়েছে আসাদুল্লার পরিবারে মোট ৬ ভাই । আসাদুল্লা পঞ্চম। খাগড়াগড় কাণ্ডের পর তার বাড়িতে তালা লাগানো। আত্মীয়রা জানিয়েছেন, আমাদের সঙ্গে আসাদুল্লার কোনও যোগাযোগ নেই। সে গ্রামে থাকাকালীন চাষের কাজ করত। বাবা ইরফান শেখ ১৫ বছর আগে মারা গেছেন। মায়ের নাম আসেদা বিবি। জঙ্গি পুত্রের ধরা পড়ার খবর তাঁরা রাখেন না।

সম্প্রতি বীরভূম থেকে ধরা পড়ে আরেক জেএমবি জঙ্গি ইজাজ। সেও খাগড়াগড় বিস্ফোরণের অপর পান্ডা। তাকে জেরা করেই খোঁজ মিলেছে আসাদুল্লার। কিন্তু অধরা সালাউদ্দিন সালেহীন। বাংলাদেশ পুলিশের ভ্যান থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিল জেএমবি জঙ্গিরা। মনে করা হচ্ছে, অধরা জেএমবি তথা তার ভারতীয় শাখা জেএমআই প্রধান সালাউদ্দিন সম্পর্কে তথ্য দিতে পারবে আসাদুল্লা।