ঢাকা: নিরীহ মধু বিক্রেতা হিসেবেই আত্মগোপন করেছিল খাগড়াগড় বিস্ফোরণ মামলায় অন্যতম আসামী ও জেএমবি জঙ্গি ডেঞ্জার (আবু সাইদ)৷ মধু বিক্রেতার ছদ্মবেশ নিয়েই জঙ্গি তৎপরতা চালিয়ে গিয়েছে এতদিন৷ ভারতে শ্যামল শেখ নামে পরিচিত ছিল এই জঙ্গি। ধৃত ডেঞ্জারের কাছে মিলেছে ৯ এমএম ক্যালিবারের একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৩ রাউন্ড গুলি, ৭.৬৫ ক্যালিবার পিস্তলের ৫ রাউন্ড গুলি, একটি বার্মিজ ছুরি ও মোটরবাইক৷

মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি ডেঞ্জারের মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছে ভারতের এনআইএ৷ এই মামলার অন্যতম তথা জেএমবির মিলিটারি শাখার প্রধান হাতকাটা নাসিরুল্লাকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে রাজশাহী থেকে৷

আরও পড়ুন: খাগড়াগড় বিস্ফোরণ: কুখ্যাত জঙ্গি ‘ডেঞ্জার’ ধৃত, স্ত্রী ভারতীয়

২০১৪ সালের ২ অক্টোবর বিস্ফোরণ হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান (বর্তমানে পূর্ব বর্ধমান) জেলার খাগড়াগড়ে৷ সেই ঘটনার তদন্তে উঠে আসে, কী করে ভারতের মাটি থেকে বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে জামাত উল মুজাহিদিন জঙ্গিরা৷

শনিবার বগুড়ার পুলিশ সুপার মহ. আসাদুজ্জামান বলেন, আবু সাইদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। সে যে নামগুলো ব্যবহার করত তার মধ্যে আবদুল করিম, তৈয়ব, তালহা শেখ, শ্যামল শেখ, হোসাইন, সাজিদ, ডেঞ্জার, সাকিল, মোখলেস, শফিক।

আবু সাঈদ কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চর চাঁদপুর গ্রামের শহীদুল্লাহ শেখের ছেলে। ২০০৫ সালে বাংলাদেশে সিরিজ বোমা হামলা মামলার রায়ে তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়েছিল। এরপর সে ভারতে পালিয়ে যায়৷ জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার জেএমবি সদস্য ইয়াদুলের মেয়েকে বিয়ে করে আবু সাইদ। সেখানে তার নাম ছিল শ্যামল শেখ৷ বর্ধমানের খাগড়াগড় তার জঙ্গি ডেরাতেও সে একই নামে পরিচিত৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.