কলকাতা:  রেশনে সরবরাহ করা কেরোসিনের দাম লিটারে ৫০ পয়সা করে বাড়িয়ে গিয়েছিল মোদী সরকার। প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে এভাবে বাড়িয়ে ছিল দাম। যদিও মাঝখানে নতুন করে আর বাড়েনি কেরোসিনের দাম। গত লকসভা নির্বাচন চলাকালীন বাড়েনি আর কেরোসিনের দাম। তবে মার্চ মাসে এই প্রথম কমল কেরোসিনের দাম। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজ্য খাদ্য দফতর মার্চ মাসে রেশনে বিক্রি হওয়া কেরোসিনের যে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে— লিটারে ২২.৩ পয়সা করে দাম কমানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতি কিলোলিটার (এক হাজার লিটার) কেরোসিনের মূল দাম বা বেসিক প্রাইস ছিল ৩২ হাজার ৭১ টাকা। সেটা পয়লা মার্চ থেকে কমে ৩১ হাজার ৮৪৩ টাকা হয়েছে। মূল দামের সঙ্গে এজেন্ট, ডিলারদের কমিশন, পরিবহণ খরচ, জিএসটি প্রভৃতি যুক্ত হয়ে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ হয়। মার্চ মাসে কলকাতা ও সল্টলেক এলাকায় ৩৮ টাকা ৫৮ পয়সা লিটার দরে কেরোসিন বিক্রি হবে।

গত কয়েক দফায় দাম বৃদ্ধি হওয়াতে এক ধাক্কায় কমে গিয়েছিল কেরোসিনের বিক্রি। রাজ্যের একাধিক প্রান্তে কেরোসিনের বাজার মূল্য ছাড়িয়ে যায় ৪০ টাকা। বিক্রি কার্যত তলানিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। একাধিকবার খাদ্যদফতর এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেও কোনও লাভ হয়নি। বর্তমানে পেট্রোল-ডিজেলের দামে সরকারিভাবে কোনও কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু কেরোসিনের দামে তা আছে। কারণ পেট্রল-ডিজেলে কোনও ভর্তুকি না থাকলেও কেরোসিনে কিছুটা রয়েছে। সেই ভর্তুকি কমানোর লক্ষ্যে নিয়মিত দাম বাড়িয়ে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০১৬ সালের জুলাই মাসের পর এবারই অন্যরকম কিছু করা হল বলে জানাচ্ছে বাংলা এক সংবাদমাধ্যম।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প