তিরুঅনন্তপুরম: কেরলে মিলল নিপা ভাইরাসের খোঁজ৷ কেরল স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেছে৷ মঙ্গলবার কোচির এর্ণাকুলামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ২৩ বছর বয়েসী এক ব্যক্তির শরীরে নিপা ভাইরাস পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে৷ এর পরেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷

কেরলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা মঙ্গলবার সকালে এই তথ্য জানিয়ে বলেন রাজ্য সরকার এই ধরণের রোগের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত৷ তবে অযথা আতংক না ছড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি৷

পুনে ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটে ওই ব্যক্তি রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছে৷ নিপা ভাইরাস পাওয়ার পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয়েছে ওই ব্যক্তির৷ এক সরকারি বিবৃতিতে কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন সন্দেহ করা হচ্ছে ওই ভাইরাসটি নিপা৷ মঙ্গলবার সকালেই নিপা ভাইরাসের খোঁজ মেলে৷ তারপরেই সতর্ক করে দেওয়া হয় সব দফতরকে৷ বিশেষত হাসপাতালগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়৷

সোমবার কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানান, গোটা পরিস্থিতি খুব গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে দেখছে রাজ্য সরকার৷ চিকিৎসার কোনও গাফিলতি হবে না আশ্বাস দেন তিনি৷ স্বাস্থ্যদফতরকে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানান বিজয়ন৷

গত বছরই নিপা ভাইরাসের প্রকোপে কেরলে মৃত্যু হয় মোট ১৭ জনের৷ এই মারণ ভাইরাসের প্রকোপ নিয়ে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে কেরল সরকার৷ আর এই পরীক্ষা-নিরিক্ষার রিপোর্টেই উঠে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷ রিপোর্টে বলা হয়, মোট ১৯ জন নিপা ভাইরাস আক্রান্তের মধ্যে ১৭ জনই আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রথম নিপা ভাইরাস আক্রান্তের থেকে৷ নিপা ভাইরাসের প্রথম শিকার ছিল ২৬ বছরের মহম্মদ সাবিথ৷ গত বছর ৫ মে তাঁর মৃত্যু হয়৷

নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৯ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন সুস্থ হয়ে উঠেছিল৷ বাকি ১৭ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল মারণ ভাইরাস৷ সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সাবিথ ফ্রুট ব্যাট থেকে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল৷

২০১৮ সালে কেরলের পর নিপা ভাইরাস গোয়া ও মহারাষ্ট্রের কাছে ইতিমধ্যে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্য ও মহারাষ্ট্র এই ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করে৷ ওদিকে কেরলে জারি করা হয় চরম সতর্কতা৷ সব হাসপাতালে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়৷

জ্বর, বমি, মাথা ধরা, ঝিমুনি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে ডাক্তারদের পরামর্শ নেওয়ার আবেদন জানানো হয়৷ সেই সঙ্গে ফল ও শুয়োরের মাংস এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়৷ কারণ শুয়োর ও এক বিশেষ প্রজাতির বাদুরের(ফ্রুট ব্যাট) শরীর থেকে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করে নিপা ভাইরাসের জন্ম দেয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।