কোচি: রাজ্যে বার এবং রাজ্যচালিত মদের দোকান খোলার আগেই বুধবার মদের দাম ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেরল সরকার। ক্যাবিনেট মিটিংয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন। যেকোন ব্র্যান্ডের মদ, বিয়ারের দাম বাড়তে চলেছে, পাশাপাশি কোভিড সেস আনা হয়েছে।

কেরল পরিচিত লিকার লাভার হিসেবে, তাই এই সিদ্ধান্ত কিছুটা মনক্ষুণ্ণ করবে সুরাপ্রেমীদের। তবে করোনা পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সব রাজ্য। তাই এবার থেকে মদে মজতে অনেক বেশি টাকা দিতে হবে রাজ্যবাসীকে।

বিয়ার এবং দেশে উৎপাদিত বিদেশি মদে ১০-৩৫ শতাংশ পর্যন্ত করা হয়েছে। প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া মেড ফরেন লিকারে দাম বর্তমান দাম থেকে বেড়েছে ৩৫ শতাংশ। এই বিষয়ে অর্ডিন্যান্স ইস্যু করবে রাজ্য।

করোনা ভাইরাস বিপর্যস্ত করেছে দেশের অর্থনীতিকে। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আর্থিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে কেরল। গত ৫০ দিনে প্রায় ২১০০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে রাজ্য”।

তাই অনলাইনে মদ বিক্রি করার পাশাপাশি রাজ্য দ্বারা পরিচালিত ৩৬৫ বেভকো আউটলেট এবং ৩৫ কনসিউমারফেড শপে ভার্চুয়াল লাইন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বার এবং বেভকো আউটলেটগুলি থেকে পার্সেল হিসেবে মদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। মে মাসের ১৮ তারিখ থেকে বিধিনিষেধ মেনে মদের দোকান এবং বার খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।

সম্প্রতি ন্যাশনাল রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া রাজ্য সরকারগুলির কাছে গুদামে পড়ে থাকা মদ অনলাইনে বিক্রি করার অনুমতি চেয়েছে। বিক্রি বন্ধ থাকায় প্রায় ৩০০০ কোটি টাকার মদ গুদামে পড়ে রয়েছে বলেই জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, তিন ধরনের মদের লাইসেন্স দেওয়া হয়, রিটেল, ক্যান্টিন স্টোর এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। এইসব লাইসেন্স প্রাপ্ত হোটেল-রেস্তোরাঁ ইত্যাদির সংখ্যা গোটা দেশে প্রায় ৩০০০০। আর এইসব স্থানে মোটামুটি এক মাসের স্টক থাকে। তার ফলে হোটেল-রেস্তোরাঁয় লকডাউনের জন্য বিক্রি না হওয়া গুদামে পড়ে থাকা‌ মদের পরিমাণ প্রায় ৩০০০ কোটি টাকা।

অনেক রাজ্য মদের দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে তবে সোশ্যাল ডিসট্যানসিং মানা অনেকক্ষেত্রে কঠিন তাই অনলাইনে মদ বিক্রি করতে পারলে বেশ কিছুটা আর্থিক উন্নতি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV