অনলাইন রামি নিয়ে বিরাট কোহলি ও তামান্না ভাটিয়াকে নোটিস ধরাল কেরল হাই কোর্ট
অনলাইন রামি নিয়ে বিরাট কোহলি ও তামান্না ভাটিয়াকে নোটিস ধরাল কেরল হাই কোর্ট।

তিরুবানন্তপুরম: ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিকে নোটিস ধরাল কেরল হাই কোর্ট। বিরাট কোহলির পাশাপাশি দক্ষিণী অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া ও মালায়ালাম অভিনেতা অজু ভার্গিসকেও নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। অনলাইন রামি খেলার বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই তিন সেলিব্রিটির বিরুদ্ধে। তাই তাঁদের আদালতের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

বহুদিন থেকেই অনলাইন বেটিং চক্র বন্ধ করতে তৎপর হয়েছে সরকার। এই নিয়েই কেরল হাই কোর্টে দায়ের হয়েছিল মামলা। অভিযোগ উঠেছিল অনলাইন রামি খেলা নিয়ে। এই খেলারই বিজ্ঞাপন দেন বিরাট কোহলি, তামান্না ভাটিয়া ও অজু ভার্গিস। তাই এই মর্মে তাঁদের নোটিস পাঠিয়েছে কেরল হাই কোর্ট। পাশাপাশি আদালত এও জানিয়েছে অনলাইন বেটিং হল সোশ্যাল মিডিয়ায় শয়তানের কবরের সমান। রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

কেরলের কোচির বাসিন্দা পাউলি ভাদাক্কান আদালতে এই নিয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, অনলাইন রামি খেলা বেআইনি। একে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। সোশ্যাল সাইটের কিছু প্ল্যাটফর্ম এই ধরনের খেলা প্রোমোট করতে সেলিব্রিটিদের সাহায্য নেয়। তাঁদের দিয়ে অনলাইন রামির প্রচার করায়। যাতে যুব সমাজকে সহজেই ফাঁদে ফেলা যায় তাই এই বন্দোবস্ত। সেলিব্রিটিদের মুখ দেখে সহজেই যুবক ও যুবতীর খেলার প্রতি আকৃষ্ঠ হবে। এতে ওই নির্দিষ্ট কোম্পানির ফায়দা হবে। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে ওই কোম্পানিগুলি। আর ফাঁদে পড়বে সাধারণ মানুষ। বেআইনি এই কাজ বন্ধ হওয়ার পরিবর্তে রমরমিয়ে চলছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই কেরল হাই কোর্টে ওঠে মামলা। এদিন আদালতের তরফে Play Games 24*7 ও Mobile Premier League-কে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই দুটি সংস্থা উদ্দেশ্যমূলকভাবে রামি গেম চালায় বলে অভিযোগ। এর মধ্যে Mobile Premier League-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন বিরাট কোহলি। তামান্না ভাটিয়া এর বিজ্ঞাপনে কাজ করেন। এছাড়া মালায়ালাম অভিনেতা অজু ভার্গিসও অনলাইন রামি খেলার বিজ্ঞাপন দেন। তাই এই ৩ জনকই আজ নোটিস পাঠিয়েছে আদালত। কেরল হাই কোর্ট এদিন বলেছে, অনলাইন বেটিং হল সামাজিক বিপদের কবর। তাই এর থেকে দূরে থাকার কথা বলেছে আদালত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।