তিরুঅনন্তপুরম: আদানি গোষ্ঠীর হাতে তিরুঅনন্তপুরম বিমানবন্দর তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হল কেরল সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের বিমানবন্দর বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে এবার আদালতের কাছে আবেদন করেছে পিনারাই বিজয়নের সরকার।

রাজ্য সরকার সব দলের সঙ্গে বৈঠক করেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ডাকতে যাওয়ার চিন্তা করে। যদিও এর আগে কেরল হাই কোর্ট এই দাবি নাকচ করে দিয়েছে।

কেরল সরকারের মন্ত্রী কাদাকম্পলি সুরেন্দ্রন জানিয়েছেন ‘ তিরুবন্তপুরম বিমানবন্দর বেসরকারি হাতে তুলে দিয়ে দিনে দুপুরে ডাকাতি করছে কেন্দ্র’। তিনি বলেন বিমানবন্দর বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। এই বিমানবন্দরের রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে রাজ্যও প্রচুর খরচ করেছে, জমিও দিয়েছে। এই বিষয়ে একতরফাভাবে কেন্দ্র এভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।

প্রসঙ্গত, গত অগস্ট মাসে জয়পুর, তিরুঅনন্তপুরম এবং গুয়াহাটি এই তিনটি বিমানবন্দর বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। সরকারের পক্ষ তখন জানানো হয়, এগুলির উন্নয়ন, চালানো এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এবার পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে ৫০ বছরের জন্য বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হচ্ছে। এই তিনটি বিমানবন্দর যাচ্ছে আদানি গোষ্ঠীর হাতে।

ওই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিজয়ন জানিয়েছিলেন, তাদের পক্ষে এই তিরুঅনন্তপুরম বিমানবন্দর এভাবে হস্তান্তর করা কঠিন। ওই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, ” আপনাকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে, এই বিষয়টির ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার জন্য। যাতে বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখা হয়। তা না হলে এই কাজে সহযোগিতা করা সম্ভব নয়।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।