পানাজি: গত মরশুমে মোহনবাগানকে আইলিগ দেওয়ার পর চলতি মরশুমের আগে কোচ হিসেবে তাঁকে এলকো শ্যাটোরির স্থলাভিষিক্ত করেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু বাকি দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি ওডিশা এফসি এবং ইস্টবেঙ্গলের মতো আইএসএলে দীর্ঘ একটা জয়ের খরা চলছিল কিবু ভিকুনার কেরালা ব্লাস্টার্সের। গত ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে সমতা ফিরিয়েছিলেন জিকসন সিং। আর রবিবাসরীয় ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়ামে চলতি আইএসএলে প্রথম জয় পেল কেরালা ব্লাস্টার্স। কোচ হিসেবে অভিষেক আইএসএল মরশুমে প্রথম জয় পেলেন কিবু ভিকুনা।

মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়েও শেষকৃত্যে না গিয়ে দলের প্রয়োজনে দলের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন। মায়ের মৃত্যুশোক ভুলে ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে রিজার্ভ বেঞ্চে হাজির থেকে হৃদয় জিতে নিয়েছিলেন পেশাদার কিবু। আর রবিবার হায়দরাবাদকে হারিয়ে তৃপ্ত সবুজ-মেরুনের প্রাক্তন কোচ বলছেন, ‘আমি সন্তুষ্ট কারণ আমরা দুর্দান্ত একটা দলের বিরুদ্ধে দারুণ ফুটবল খেলেছি।’ আইএসএলের দক্ষিণের ডার্বিতে এদিন কিবুর দলের হয়ে গোলদু’টি করেন আব্দুল হাক্কু এবং জর্ডান মারে। ডিফেন্সের দুই স্তম্ভ কোনে এবং কোস্তাকে ছাড়াই এদিন দল সাজিয়েছিলেন কেরালার স্প্যানিশ কোচ। ২০ জনের দলে ছিলেন না স্ট্রাইকার গ্যারি হুপারও। যদিও ভিকুনা জানান চোটের কারণেই তিন বিদেশিকে বাইরে রেখে দল সাজিয়েছিলেন তিনি।

ম্যাচের ১০ মিনিটে এদিন হায়দরাবাদ ডিফেন্ডার আশিস রাই’য়ের ভুলের সুযোগে কেরালাকে এগিয়ে দিতে পারতেন সামাদ। কিন্তু ঠিক সময়ে বিপদ থেকে হায়দরাবাদকে রক্ষা করেন ওদেই ওনাইয়িন্দিয়া। নিজামরা পক্ষান্তরে বেশ কিছু হাফ-চান্স তৈরি করলেও গোল আসেনি। অবশেষে ২৯ মিনিটে কর্নার থেকে ফাকুন্দো পেরেরার নিখুঁত ডেলিভারিতে ড্রপ হেডে সুব্রত পালকে পরাস্ত করেন আব্দুল হাক্কু। কেরালা ব্লাস্টার্সের জার্সিতে আইএসএলে এটিই তাঁর প্রথম গোল। প্রথমার্ধের অন্তিম মিনিটে আশিস রাই’য়ের ক্রস থেকে হ্যান্ডশেকিং দূরত্বে দাঁড়িয়ে সান্তানা গোল করতে ব্যর্থ হলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইয়েলো ব্রিগেড।

বিরতির পর হায়দরাবাদ গোল লক্ষ্য করে শুটিং শুরু করেন কেরালা ফুটবলাররা। যার মধ্যে ৬০ মিনিটে রাহুল কেপি’র একটা জোরালো গ্রাউন্ডার শরীর ছুঁড়ে রক্ষা করেন দুর্গের শেষ প্রহরী সুব্রত। সুযোগ এসেছিল হায়দরাবাদের কাছেও। ৮০ মিনিটে একক দক্ষতায় গোলের কাছাকাছি চলে গেলেও নিশানায় অব্যর্থ থাকতে পারেননি হালিচরন নার্জারি। ৮৭ মিনিটে একটি দারুণ সেভ করেন কেরালা গোলরক্ষক আলবিনো গোমসও।

কিন্তু পরের মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে কেরালার তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করেন অজি স্ট্রাইকার জর্ডান মারে। হায়দরাবাদের পরিবর্ত ডিফেন্ডার আদিল খান বক্সে ভেসে আসা একটি ক্রস ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে মারের মাটি ঘেঁষা শট প্রবেশ করে জালে। টুর্নামেন্টে প্রথম তিন পয়েন্ট সংগ্রহ করে নবমস্থানে থাকা কেরালার পয়েন্টসংখ্যা বেড়ে হল ৬ (সাত ম্যাচ)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।