ব্যাম্বোলিম: বুধবার ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়ামে যে হারে সুযোগ নষ্ট করল কেরালা ব্লাস্টার্স, তাতে ঘরে বসে টেলিভিশনের পর্দায় চোখ রাখা ইয়েলো ব্রিগেডের সমর্থকেরা হাত-পা ছুঁড়তে বাধ্য। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত দিল মন্দ ভাগ্য। প্রথমার্ধেই ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হল জর্ডান মারে, গ্যারি হুপারদের তিন-তিনটি প্রচেষ্টা। একইসঙ্গে জেমশেদপুর এফসি’কে হারিয়ে লিগে টেবিলে উপরে ওঠার স্বপ্ন ব্যাম্বোলিমের জিএমসি স্টেডিয়ামেই রেখে এল কেরালা ব্লাস্টার্স।

কার্ড সমস্যায় এদিন ডাগ-আউটে ছিলেন না কিবু ভিকুনা। গ্যালারি থেকেই বড়লোকের বাউন্ডুলে ছেলেদের মত তাঁর দলের ছেলেদেরও গোল নষ্টের প্রদর্শনী চাক্ষুষ করলেন গত মরশুমে আইলিগ জয়ী কোচ। বলতে বাধা নেই রেড মাইনার্সদের তুলনায় মাঠে এদিন অনেক বেশি প্রাণবন্ত এবং সুন্দর ফুটবল উপহার দিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। কিন্তু দলের ফুটবলাররা স্কোরিং বুট লকাররুমে রেখে আসায় চলতি আইএসএলে চতুর্থ জয় এদিন অধরা রয়ে গেল কেরালার। অন্যদিকে বরাত জোরে এক পয়েন্ট পেল জামশেদপুর এফসি। নতুন বছরে এখনও জয়হীন ওয়েন কয়েলের দল।

প্রথমার্ধে সুযোগ পেয়েছিল দু’দলই। কিন্তু স্কোরলাইন গোলশূন্য থাকার কারণ কেবল দু’দলের ডিফেন্স নয়, বরং আক্রমণভাগের ব্যর্থতাও বলা যেতে পারে। তবে তাদের তিন-তিনটি প্রয়াস ক্রসবারে প্রতিহত হওয়ার দুঃখ হয়তো কুড়ে-কুড়ে খাবে কেরালা ফুটবলারদের। যার মধ্যে ৪২ মিনিটে গ্যারি হুপারের একটি দূরপাল্লার জোরালো ভলি ক্রসবারে লেগে গোললাইন সামান্য অতিক্রম করলেও তা চোখে ধরা পড়েনি লাইন্সম্যানের। দু’টি ক্ষেত্রে অজি স্ট্রাইকার ক্রসবারের কারণে গোল থেকে বঞ্চিত হন। সপ্তম মিনিটে জামশেদপুর স্ট্রাইকারের একটি দূরপাল্লার শটও প্রতিহত হয় পোস্টে।

এক্ষেত্রে গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে ভুল ক্লিয়ারেন্সে বল লিথুয়ানিয়ান স্ট্রাইকারের পায়ে তুলে দিয়েছিলেন কেরালা গোলরক্ষক আলবিনো গোমস। পরে নিজেই শরীর ছুঁড়ে তা রক্ষা করেন তিনি। প্রথমার্ধে যে দাপুটে ফুটবলে শেষ করেছিল কেরালা, বিরতির পরে একইরকম দাপুটে ফুটবল শুরু করে কিবুর দল। প্রথম ইতিবাচক সুযোগটাও পেয়েছিল তারা। কিন্তু লালথাথাঙ্গার ক্রস থেকে মারের লুপিং হেডার অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে কার্যত পুরোটাই দাপট দেখায় হলুদ জার্সিধারীরা। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণের পর আক্রমণে জামশেদপুরের রক্ষণ ফালা-ফালা করে দিলেও শেষ অবধি গোলের দেখা পায়নি তারা।

শেষ অবধি পয়েন্ট ভাগ করেই মাঠ ছাড়ে দুই দল। ১৪ ম্যাচ পর পয়েন্টের নিরিখেও একই মেরুতে দু’দল। গোলপার্থক্যে লিগ টেবিলে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তমস্থানে জামশেদপুর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।