নয়াদিল্লি: দেশে করোনার টিকাকরণের শুরু থেকে গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৪৪ লক্ষ ডোজেরও বেশি টিকা নষ্ট হয়েছে। সম্প্রতি তথ্য জানার অধিকার আইনে এটা জানা গিয়েছে। দেশের মধ্যে কেরল ও পশ্চিমবঙ্গ এমন দুই রাজ্য যারা করোনা টিকার একটি ডোজও নষ্ট করেনি। পঞ্জাব, মণিপুর, তেলেঙ্গনার মতো রাজ্যগুলি প্রতি ১০০ টিকার ডোজের মধ্যে ৮টি ডোজ নষ্ট করে ফেলেছে।

দেশজুড়ে আগামী ১ মে থেকে শুরু হচ্ছে টিকাকরণের পরবর্তী ধাপ। টিকাকরণের এই পর্বে ১৮ বছরের বয়সের উপরে প্রত্যেকে টিকা নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বিপুল টিকার ডোজের প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই করোনা টিকা তৈরিতে গতি আনতে জোরদার তৎপরতা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

দেশের দুই টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থাকে অধিক মাত্রায় টিকা তৈরির জন্য সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে মোদী সরকার। পুণের সেরাম ইন্সটিটিউটকে ৩ হাজার কোটি টাকা ও হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেককে টিকা তৈরির জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হচ্ছে। পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট বানাচ্ছে ‘কোভিশিল্ড’। ভারত বায়োটেক তৈরি করছে ‘কোভ্যাক্সিন’। দেশে এই দুটি টিকাকেই প্রথমে প্রয়োগের জন্য ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। দেশজুড়ে এখনও এই দুটি ভ্যাক্সিনের প্রয়োগ চলছে জোরকদমে।

তবে এরই মধ্যে আরটিআই (RTI) বা তথ্য জানার অধিকার আইনে সামনে এল নয়া খবর। গোটা দেশে গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ৫৫ লক্ষ ডোজ টিকা নষ্ট হয়েছে। টিকার ডোজ নষ্টে শীর্ষে দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ু। প্রতি ১০০ টিকার ডোজের মধ্যে ১২টি ডোজই নষ্ট হয়েছে এরাজ্যে। একইভাবে হরিয়ানায় প্রতি ১০০ টিকার ডোজের মধ্যে ৯টি এবং পঞ্জাব, মণিপুর, তেলেঙ্গনার মতো রাজ্যগুলি প্রতি ১০০ টিকার ডোজের মধ্যে ৮টি ডোজ নষ্ট করে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল টিকার যথাযোগ্য প্রয়োগে একশো শতাংশ সফল। এখনও পর্যন্ত করোনা টিকার একটি ডোজও নষ্ট হয়নি এই দুই রাজ্যে।

টিকা সংক্রান্ত তথ্য জানতে সম্প্রতি আরটিআই ফাইল করেন বিবেক পাণ্ডে নামে এক ব্যক্তি। এরপরেই টিকার ডোজ নষ্ট হওয়া সংক্রান্ত তথ্যটি সামনে আনে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, গত ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশজুড়ে ৪৪ লক্ষ ৭৮ হাজার টিকার ডোজ ইতিমধ্যেই একাধিক কারণে নষ্ট হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১০ কোটি ৩৪ লক্ষ করোনা টিকার ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। তথ্য জানার অধিকার আইনে আরও জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও কেরল ছাড়াও হিমাচল প্রদেশ, মিজোরাম, গোয়াতেও করোনা টিকার একটি ডোজও নষ্ট হয়নি। একইসঙ্গে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দামন ও দিউ, আন্দামার ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ও লাক্ষাদ্বীপেও করোনা টিকার কোনও ডোজ নষ্ট হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.