নয়াদিল্লি: রেলের বিরুদ্ধে এবার একয়োগে সরব কেরল ও মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যকে কিছু না জানিয়েই কেরলে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন পাঠানোয় আগেই ক্ষোভ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। এবার পরিযায়ীদের ফেরানো প্রসঙ্গে রেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী নবাব মালিক।

তাঁর অভিযোগ, বেশি সংখ্যক ট্রেন ছাড়ার কথা বলে অযথা পরিযায়ীদের বিভ্রান্ত করছে রেলমন্ত্রক। গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, অন্য রাজ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের ফেরাতে আর সংশ্লিষ্ট রাজ্যের অনুমতি নেওয়া হবে না। রাজ্যকে কিছু না জানিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দু’দিন আগেই চিঠি লিখেছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

এবার মহারাষ্ট্রের সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীর অভিযোগ, রেলমন্ত্রী রাজনীতি করছেন। মুম্বইয়ের লোকমান্য তিলক টার্মিনাস থেকে ৪৯টি ট্রেন ছাড়ার কথা বললেও পরে মাত্র ১৬টি ট্রেন ছাড়ার কথা ঘোষণা করা হয় রেলের তরফে। রেলমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ ওই এনসিপি নেতার। আগেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে রেলমন্ত্রকের বিরুদ্ধে কম সংখ্যক শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেন চালানোর অভিযোগ এনেছিলেন।

এদিকে, শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালুর পর থেকেই রাজ্যে-রাজ্যে করোনার সংক্রমণ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের অনেকেই করোনা বাহক। নিজেদের রাজ্যে ফিরে এসে অনেকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার শর্ত মানছেন না বলেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি কোনও কোনও পক্ষের।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব