ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার,খেজুরি:   ফের তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ উত্তপ্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরি থানার খেজুরি-২ ব্লকের নীচকসবা অঞ্চলে। রবিবার সকালে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। আর এরপর বোমাবাজি ও গুলি বর্ষণের ফলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতার বাড়িও। হাতে গুলি লেগে আহত হন কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক পবিত্র দাস।

গোটা ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব তৃণমূলের দিকে অভিযোগ তুললেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। গোটা ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ দিঘা- নন্দকুমার ১১৬ বি জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়ায় পথ অবরোধ করে রাখেন স্থানীয় বিজেপি নেতা- কর্মীরা। জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার সূত্রপাত হয় এলাকায় দখলকে কেন্দ্র করে। গত কয়েকদিন ধরে খেজুরি-২ ব্লকের বেশ কিছু এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় ঝামেলা বাঁধে স্থানীয় বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে।

এরপর রবিবার সকালে সেই সমস্ত এলাকায় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের ব্যাপক ঝামেলা বেঁধে যায়। ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকা দখলের জন্য ব্যাপক বোমাবাজি শুরু করে বলে অভিযোগ। এরপর ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিজেপি কর্মীদের ওপর তৃণমূলের ওইসকল দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় বলেও অভিযোগ।

ঘটনায় হাতে গুলি লেগে গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সম্পাদক পবিত্র দাস। বিজেপির তরফ থেকে দাবি করা হয়, গোটা ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি ছোঁড়ার সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক রণজিত মন্ডল। যদিও রণজিতবাবুর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনার কথা অস্বীকার করেন এবং গোটা ঘটনার সময় তিনি ওই এলাকায় ছিলেন না বলে দাবি করেন।

বিজেপির তরফ থেকে আরও অভিযোগ, এলাকায় বোমাবাজি ও গুলি বর্ষণের সময় উপস্থিত ছিল পুলিশও। তবে এই ঘটনায় পুলিশ সম্পূর্ণভাবে দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিবাদে এদিন দুপুরে বেশ কিছু সময় ১১৬বি দিঘা- নন্দকুমার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাখেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা। যার জেরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয় জাতীয় সড়ক জুড়ে।

কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন, “খেজুরি বিধানসভার বিধায়ক রণজিত মন্ডল তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে এই সমস্ত বোমাবাজি ও গুলি বর্ষণ হয়েছে। যার ফলে আমাদের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র দাস জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

যদিও এদিনের ঘটনা নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক রণজিত মন্ডলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সম্পূর্ণ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “ঘটনার সময় আমি ওই এলাকায় ছিলাম না। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। গোটা ঘটনাটি বিজেপি ও সিপিএমের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ঘটেছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।