নয়াদিল্লি: করোনায় বিপর্যস্ত দিল্লিবাসী। তার উপর গোদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মতন অক্সিজেনের অপ্রতুলতা। ক্রমেই পরিস্থিতি জটিল আকার নিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্য চাইলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে বলেছেন, ‘‌হাসপাতালে কিছু ঘণ্টার জন্য অক্সিজেন মজুত রয়েছে। গুরুতর অক্সিজেন সমস্যা শুরু হয়েছে দিল্লিতে। কিছু কিছু হাসপাতালে কয়েক ঘণ্টার জন্য অক্সিজেন আছে।’‌ গত রবিবার কেজরিওয়াল দিল্লিতে অক্সিজেনের ঘাটতি নিয়ে প্রথম উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন যে এটি দিল্লির জরুরি অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবারই দিল্লিতে অক্সিজেনের ঘাটতি নিয়ে কেন্দ্রকে ভর্ৎসনা করে হাইকোর্ট এবং কেন্দ্রকে নির্দেশ দেয় যে শিল্পে অক্সিজেন সরবরাহ দ্রুত বন্ধ করে করোনা রোগীদের কাজে তা ব্যবহার করা হোক। হাইকোর্ট বলে, ‘‌শিল্প অপেক্ষা করতে পারবে, রোগীরা নয়। মানুষের প্রাণ বিপর্যস্ত।’গত রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা রাজ্যের মুখ্যসচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তাঁরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্দিষ্ট নয়টি শিল্প ছাড়া অন্যান্য শিল্পে যে অক্সিজেন ব্যবহার করা হয়, তা যেন করোনার রোগীদের জন্য ব্যবহারের বন্দোবস্ত করেন।যদিও ২২ শে এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্তটি।

সোমবার থেকে ছয়দিনের জন্যে লকডাউনের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ছয়দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ছাড়া সমস্ত দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দোকান। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে রাজ্যের বাসিন্দাদের না বেরনোর আর্জি করেছে সরকার। তবে চালু থাকবে সমস্ত জরুরি পরিষেবা, সরকারি অফিস। বেসরকারি অফিসের কর্মচারীদের বাড়ি থেকে কাজের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে বিয়ের অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫০ জন অতিথি পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা করে পাস নেওয়ার কথা বলেছে কেজরিওয়াল সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.