নয়াদিল্লি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নন। আগামী রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে কেজরিওয়ালের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও।

আগামী রবিবার তৃতীয়বারের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। একইসঙ্গে শপথ নেবেন তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। সম্ভবত এবারও পুরোনো মন্ত্রিসভাই থাকবে আপ-এর। ইতিমধ্যেই আপ বিধায়কদের বৈঠকে দলের পরিষদীয় নেতা নির্বাচিত হয়েছেন কেজরিওয়াল। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি দিল্লির রামলীলা ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন কেজরি।

ইতিমধ্যেই শপথে থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেজরিওয়াল। ঝাড়খণ্ড, কেরল-সহ একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। গেরুয়া শিবিরকে হেলায় উড়িয়ে আরও ৫ বছরের জন্য দিল্লির মসনদে বসেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবারের ভোটে নজিরবিহীন সাফল্য পেয়েছে কেজরির আপ।

দিল্লির মোট ৭০ আসনের ৬২টিতেই জয় পেয়েছেন আপ প্রার্থীরা। মাত্র ৮টি আসন পেয়ে কোনও মতে অস্তিত্ত্ব টিকিয়ে রেখেছে গেরুয়া শিবির। উলটোদিকে ঝাড়ু-ঝড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। দিল্লির ৬৩টি আসনেই জামানত জব্দ হয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীদের।

এদিকে, বিপুল এই জয়ের পর থেকেই আপ-এ নাম লেখানোয় হিড়িক পড়ে গিয়েছে দিল্লিজুড়ে। দিল্লিতে ফের একবার আপ সরকার ক্ষমতায় আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১০ লক্ষ মানুষ আপ-এ যোগ দিয়েছেন বলে দাবি দলীয় নেতৃত্বের। আপ-এর দাবি, দলের বিপুল এই সাফল্যের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ আপ-এ যোগ দিয়েছেন।

পরপর ৩ বার কেজরিওয়ালের উপরই ভরসা রেখেছেন দিল্লিবাসী। নজিরবিহীন এই সাফল্যের পরেও কেজরির পা মাটিতেই। দিল্লিবাসীকেই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন আপ প্রধান। পুঁজি বলতে ছিল, গত ৫ বছরের কাজ। তা নিয়েই দিল্লির বাজি জিতেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ফুৎকারে উড়িয়েছেন গেরুয়া শিবিরকে। জামানত জব্দ করে অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দিয়েছেন কংগ্রেসকে। রাজনৈতিক মহলের মতে, কাজেই বাজি-মাত কেজরির। দিল্লির ৭০ বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৬২টিতেই জয় পেয়েছেন আপ প্রার্থীরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ